শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এক ইউপি চেয়ারম্যানের ৪৯ ব্যাংক একাউন্ট , লেনদেন ১৪,৩৭৬ কোটি টাকা

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ২৩:১৮

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক মিয়া কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করলেন, তা রীতিমতো বিস্ময়কর। তার নামে থাকা ৪৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তার আইনসঙ্গত আয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাক মিয়া অবৈধভাবে ৫৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তার নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, অথচ তার বৈধ আয়ের হিসাব মাত্র ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। তার ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৭ হাজার ১৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা জমা করেছেন এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন, যা সন্দেহজনক লেনদেনের ইঙ্গিত দেয়।

দুদকের মতে, ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি এসব অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, যা কোনোভাবেই তার আইনসঙ্গত আয় বা দায়িত্বের সঙ্গে মিল খায় না। শুধু তিনিই নন, তার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধেও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তার নামে পৃথক মামলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, লাক মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৪৬১ কোটি ১৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা জমা এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই লেনদেন হয়েছে, যা তার বৈধ আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে, লাক মিয়ার একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী মো. মহসিন মোল্লার ব্যাংক লেনদেন নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে দুদক। মাত্র ১২ হাজার টাকা বেতনের এই কর্মচারীর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৩২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মহসিন মোল্লা কেবল লাক মিয়ার অধীনে কর্মচারী ছিলেন না, তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের— এনআরবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এবং এম/এস এনআরবি ট্রেডার্স— ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার ব্যাংক হিসাবে দেখা গেছে, ৫ হাজার ১৬১ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে দুদক।

দুদক আরও জানিয়েছে, মহসিন মোল্লা এবং তার স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা যাচাই করতে পৃথক অনুসন্ধান ফাইল খোলা হবে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অনুসন্ধান এবং মামলার পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যান ও তার আশপাশের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা লেনদেন করলেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী লাক মিয়ার বিরুদ্ধে এতদিন প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়াও অনেকের কাছে বিস্ময়কর।

দুদকের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। তারা মনে করছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। লাক মিয়ার মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় সরকার ও দুদককে আরও সক্রিয় হতে হবে, এমনটাই বলছেন সাধারণ মানুষ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।