সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ভোর রাতে থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, দায়িত্বে অবহেলা করায় এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মিরপুর, দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এসময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে গুলশান থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে দায়িত্ব […]

ভোর রাতে থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, দায়িত্বে অবহেলা করায় এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:২৫

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মিরপুর, দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এসময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে গুলশান থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, জনগণ যেন রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন এবং নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সবসময় সজাগ থাকতে হবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ফোর্স ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে না পারে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চায়, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও জানান, গুলশান থানার এক এসআই ও এক কনস্টেবল দায়িত্বে অবহেলা করায় তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা চাই না, জনগণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতার কারণে আতঙ্কে থাকুক।

বৃহস্পতিবার ভোরে পরিদর্শনে বের হয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর ইসিবি চত্বর, কালশী, পল্লবী, মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর থানায় পৌঁছান। সেখান থেকে দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানার কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি থানাগুলোর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, হাজতখানা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এছাড়া, থানার ডিউটি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে বাহিনীর সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি কালশী মোড়, জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার চেকপোস্ট ও টেকনিক্যাল মোড়ের চেকপোস্টও ঘুরে দেখেন। সেখানে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন। পরিদর্শনের সময় তিনি উপস্থিত সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও শোনেন। মিরপুর থানা মোড় ও টেকনিক্যাল মোড় এলাকায় সাধারণ জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। অধিকাংশ সাধারণ মানুষ চলমান নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং যৌথ বাহিনীর টহল ব্যবস্থা আরও জোরদার করার অনুরোধ জানান।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে যতদিন পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হয়। তবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এই অভিযান পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ভোরবেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের শিথিলতার কারণে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা সুযোগ নিতে চায়। তাই বাহিনীর সদস্যদের সবসময় সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বার্তা দিয়ে বলেন, যারা জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্বে অবহেলা করবে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

এই পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর নিরাপত্তা পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়বদ্ধতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।