সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সন্ত্রাস দমনে দেশব্যাপী র‌্যাবের রোবাস্ট পেট্রোল ও চেকপোস্ট স্থাপন 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজধানীসহ সারাদেশে র‍্যাবের টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক […]

সন্ত্রাস দমনে দেশব্যাপী র‌্যাবের রোবাস্ট পেট্রোল ও চেকপোস্ট স্থাপন 

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:১৫

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজধানীসহ সারাদেশে র‍্যাবের টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাজধানীতে ৬৯টি টহল, ঢাকার বাইরে ১৪৯টি টহলসহ সারাদেশে মোট ২১৮টি টহল মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে র‍্যাবের গোয়েন্দা দল বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত থেকে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো যে কোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা প্রতিরোধ করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। র‍্যাব জানিয়েছে, বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের ধরতে প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইনে সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। এ কারণে র‍্যাবের সাইবার ইউনিট যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পোস্ট, গুজব বা ভুল তথ্য প্রচারের বিষয়ে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই ও সহিংস ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের সদস্যরা দিনরাত টহল দিচ্ছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে র‍্যাবের এমন অভিযানে সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান দীর্ঘমেয়াদে অপরাধ দমনে সহায়ক হবে, তবে কিছু ক্ষেত্রে নিরাপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানির আশঙ্কাও রয়েছে।

এ বিষয়ে র‍্যাবের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা যেকোনো মূল্যে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে না, বরং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেটেড অভিযান চালানো দরকার।

এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতের বেলা অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই অভিযানের ফলে সামগ্রিকভাবে অপরাধ দমনে কী পরিমাণ সফলতা আসবে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে র‍্যাবের কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অপরাধীদের দমনে প্রশাসন কোনো ছাড় দেবে না।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।