শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বুটেক্স দা’ওয়াহ কমিউনিটির উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতা ও ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠিত

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) দা’ওয়াহ কমিউনিটির উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত ক্লাবটির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বুটেক্স উপাচার্য। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বুটেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৫, ০৩:১৫

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) দা’ওয়াহ কমিউনিটির উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত ক্লাবটির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বুটেক্স উপাচার্য।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বুটেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগুনবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি জামিল হাসান এবং আলোচিত লেখক ও সম্পাদক জাকারিয়া মাসুদ। আরো উপস্থিত ছিলেন ক্লাবটির উপদেষ্টা প্রভাষক এহসান এলাহী সাবিক,  ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. এমদাদ সরকার, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রভাষক এহসান এলাহী সাবিক। তিনি বলেন, ইসলামের ইতিহাস কেবল একটি ধর্মীয় অধ্যায় নয় বরং এটি মানবজাতির নৈতিক ও জ্ঞানচর্চার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তরুণ শিক্ষার্থীদের উচিত ইসলামি শিক্ষার গভীরে ডুব দিয়ে আত্মশুদ্ধি এবং মানবসেবার অনুপ্রেরণা গ্রহণ করা।

আলোচনার এক পর্যায়ে অধ্যাপক ড. মো. এমদাদ সরকার ক্লাবটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি রুম এবং ইসলামিক লাইব্রেরি কর্নার বরাদ্দের জন্য মাননীয় উপাচার্যের সহযোগিতার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে দ্বীনি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স চালু করার জন্য উপাচার্যের কাছে যথাযথ সহযোগিতা চান।

দুনিয়া ও আখিরাতের লক্ষ্য নির্ধারণে মুসলিমদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন মাওলানা মুফতি জামিল হাসান। তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে আল্লাহ তায়ালার দাসত্ব মেনে চলতে হবে এবং রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তায় না থেকে আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা রেখে অগ্রসর হতে হবে। সর্বশেষ তিনি সকল শিক্ষার্থীদের নামাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তাঁর আলোচনা শেষ করেন।

লেখক জাকারিয়া মাসুদ গুরুজনদের প্রতি মর্যাদা, নারীদের নিরাপত্তা, শিষ্টাচার, জাকাত, ইসলামি ইতিহাস, বর্তমান সমাজব্যবস্থার অধঃপতন এবং সমস্যার সমাধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

বুটেক্স দা’ওয়াহ কমিউনিটি ক্লাবের সভাপতি মোঃ আব্দুল মুনাফ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কৃতজ্ঞতায় বুটেক্স দা’ওয়াহ কমিউনিটির পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ইসলামিক সেমিনার এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ক্লাব এবং আজকের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্যই হলো ভার্সিটির ভাই-বোনদের কাছে ইসলামের জ্ঞান ও সৌন্দর্য পৌঁছে দেওয়া। বর্তমাম শিক্ষাব্যবস্থায় আখিরাতমুখী জ্ঞানচর্চার প্রসারে এই ক্লাব কাজ করবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।