শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ভারতের দম্ভ খতম আবারও বাংলাদেশ চালু করছে চিনিকল

দেশের পাটশিল্প ধ্বংসের পর পতিত শেখ হাসিনা সরকারের রক্তচক্ষু পড়ে চিনিশিল্পের উপর। ভারত নির্ভরশীলতা বাড়াতে তাদের পরামর্শে একে একে বন্ধ করা হয় রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো। ফলে চিনি জন্য বাংলাদেশকে অনেকাংশেই ভারত নির্ভর হতে হয়, যা তাদের দাম্ভিক মনোভাবের অন্যতম কারণ। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর সেই চিনি কলগুলো চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতেই […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৫৭

দেশের পাটশিল্প ধ্বংসের পর পতিত শেখ হাসিনা সরকারের রক্তচক্ষু পড়ে চিনিশিল্পের উপর। ভারত নির্ভরশীলতা বাড়াতে তাদের পরামর্শে একে একে বন্ধ করা হয় রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো। ফলে চিনি জন্য বাংলাদেশকে অনেকাংশেই ভারত নির্ভর হতে হয়, যা তাদের দাম্ভিক মনোভাবের অন্যতম কারণ।

৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর সেই চিনি কলগুলো চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এতেই এবার চিনি নিয়ে ভারতের দম্ভ খতম হতে চলেছে।

জানা গেছে, লোকসানের কথা বলে ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের ৬টি চিনিকল বন্ধ করে দেয়। সেগুলো হলো- কুষ্টিয়া চিনিকল, রংপুরের শ্যামপুর চিনিকল, দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ চিনিকল, পঞ্চগড় চিনিকল, পাবনা চিনিকল ও রংপুর চিনিকল।

এরপর থেকেই চোরাই পথে আসা ভারতীয় নিম্নমানের অস্বাস্থ্যকর ভেজাল চিনিতে সয়লাব হয়ে যায় গোটা বাংলাদেশ। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ২৭টি চোরাপথ এবং আমদানির মাধ্যমে আসে এসব চিনি। শুধু তাই নয়, ১৫টি চিনিকল থাকার পরও ভারতের চিনির উপর নির্ভরশীল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। আর এ কারণে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশীয় চিনি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো। এই সুযোগটাই কাজে লাগায় ভারত।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ভারত থেকে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের চিনি আমদানি করে বাংলাদেশ। আর গত পাঁচ বছরের গড় আমদানির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রতিবছর গড়ে ১৯৫৯ লাখ টন করে চিনি আমদানি হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যাচ্ছে বিদেশে। অন্যদিকে চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়ে হাজারো মানুষ। এছাড়া শ্রমিক কর্মচারী ও আখ চাষিসহ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইতিহাস বলছে, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে উত্তরাঞ্চলে সেই সময়কার সর্বাধুনিক অ্যাডভান্স টেকনোলজিতে স্থাপন করা হয় দেশের চিনিকলগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো। একসময় বছরে দেড় থেকে ২ লাখ টন চিনি উৎপাদন করতো, যা বাজার নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতো। কিন্তু ছয়টির উৎপাদন বন্ধ রাখায় দেশীয় উৎপাদন কমে মাত্র ২৫ হাজার টনে নেমে আসে।

এতে চিনি খাত প্রায় ৯৬ ভাগ ভারত ও অন্যান্য দেশ থেকে আমদানিভিত্তিক ও বেসরকারি কলগুলোর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ফলে চিনির বাজারের উপর সরকারের কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে বেসরকারি রিফাইনারি কোম্পানিগুলো চিনির বাজারে বাড়তি মুনাফা তুলে নেয়। তারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়ালে সরকারের কাছে মূল্য নিয়ন্ত্রণের কোনো উপায় ছিল না।

হাসিনা সরকারে পতনের পর দায়িত্বে আসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ভারত নির্ভরশীলতা কথা সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয় নানা উদ্যোগ। এর অংশ হিসেবে দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের ছয়টি বন্ধ চিনিকলে উৎপাদন পুনরায় চালুর জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

চলতি মাসের ১৭ ডিসেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) অধীন ৬টি (পঞ্চগড়, রংপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, সেতাবগঞ্জ ও শ্যামপুর) চিনিকলের আখ মাড়াইয়ের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাড়াই স্থগিতকৃত চিনিকল সমূহ পুনরায় চালু করার জন্য ও চিনিকল লাভজনকভাবে চালানোর নিমিত্ত সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা প্রণয়নের লক্ষে গঠিত টাক্সফোর্সের সুপারিশ ও মতামতের আলোকে ০৩/১২/২০২৪ তারিখে স্মারক মূলে পর্যাপ্ত আখ প্রাপ্তির সাপেক্ষে ১ম পর্যায়ে শ্যামপুর, সেতাবগঞ্জ চিনিকল, ২য় পর্যায়ে পঞ্চগড় ও পাবনা চিনিকল এবং ৩য় পর্যায়ে কুষ্টিয়া ও রংপুর চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম পুনরায় চালুকরণের লক্ষ্যে উপর্যুক্ত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।

এ ঘোষণায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। সরকারের শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান চিলিকলগুলো পরিদর্শন করেছেন। সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলেছেন। ফলে এসব চিনিকলে কর্মরত কর্মচারী, আখচাষি এবং স্থানীয় মানুষ নতুন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। নেমে পড়েছেন কাজে।

চিনিকলগুলো চালু করার ফলে দেশে যেমন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, তেমনি আমদানি নির্ভরতাও কমবে। এতে বেঁচে যাবে দেশের বড় অঙ্কের অর্থ। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ হয়ে উঠবে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

এদিকে একে একে ভারতের হাতে থেকে মুক্ত হতে চলেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাত। এবার চিনি নিয়েও ভারতের দম্ভ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

 

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।