বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রাজধানীতে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা-কার্টনবন্দি রাকিবের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানী ঢাকায় ১৭ বছর বয়সী রাকিব ইসলামকে হত্যার পর কার্টনে পেঁচিয়ে মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু হত্যা ও মরদেহ গুম নয়, রাকিব জীবিত আছেন-এমন নাটক সাজিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে মামুনের বিরুদ্ধে। সোমবার […]

রাজধানীতে হত্যা, ডিমলায় মাটিচাপা-কার্টনবন্দি রাকিবের মরদেহ উদ্ধার

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৪৩

রাজধানী ঢাকায় ১৭ বছর বয়সী রাকিব ইসলামকে হত্যার পর কার্টনে পেঁচিয়ে মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

শুধু হত্যা ও মরদেহ গুম নয়, রাকিব জীবিত আছেন-এমন নাটক সাজিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে মামুনের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। পরে গ্রেপ্তার মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার দেখানো স্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় কার্টনবন্দি ও গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাকিব টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার উদ্দামপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিবের সঙ্গে মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন সেটি কার্টনে পেঁচিয়ে নিজের গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি।

এরপর ঢাকায় গিয়ে রাকিব অপহৃত হয়েছে এবং জীবিত আছে-এমন ধারণা দিয়ে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী দল ডিমলায় এসে রাকিবের মরদেহ উদ্ধারের অভিযান চালায়।

এদিকে, রাকিব জীবিত আছেন-এমন ধারণা দিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, মামুন রাকিবকে হত্যা করে কার্টনে মুড়িয়ে মরদেহ গুম করার জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং মাটির নিচে পুঁতে রাখেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী ঢাকায় ১৭ বছর বয়সী রাকিব ইসলামকে হত্যার পর কার্টনে পেঁচিয়ে মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় নিয়ে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

শুধু হত্যা ও মরদেহ গুম নয়, রাকিব জীবিত আছেন-এমন নাটক সাজিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে মামুনের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। পরে গ্রেপ্তার মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার দেখানো স্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় কার্টনবন্দি ও গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাকিব টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার উদ্দামপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিবের সঙ্গে মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন সেটি কার্টনে পেঁচিয়ে নিজের গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি।

এরপর ঢাকায় গিয়ে রাকিব অপহৃত হয়েছে এবং জীবিত আছে-এমন ধারণা দিয়ে তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী দল ডিমলায় এসে রাকিবের মরদেহ উদ্ধারের অভিযান চালায়।

এদিকে, রাকিব জীবিত আছেন-এমন ধারণা দিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, মামুন রাকিবকে হত্যা করে কার্টনে মুড়িয়ে মরদেহ গুম করার জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং মাটির নিচে পুঁতে রাখেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।