শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‘প্রতিবাদ করলে সে বহিষ্কারই হতে হয়, বহিষ্কার থেকে স্ব-ইচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো না?’: ছাত্রদল নেত্রী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার সংগঠনটির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া। ‘প্রতিবাদ করলেই বহিষ্কার হতে হয়, এর থেকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো নয়?’- এমন মন্তব্য করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে পদত্যাগের […]

‘প্রতিবাদ করলে সে বহিষ্কারই হতে হয়, বহিষ্কার থেকে স্ব-ইচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো না?’: ছাত্রদল নেত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৪৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার সংগঠনটির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া। ‘প্রতিবাদ করলেই বহিষ্কার হতে হয়, এর থেকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো নয়?’- এমন মন্তব্য করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন এই ছাত্রদল নেত্রী।

ফেসবুক পোস্টে সুমাইয়া লেখেন, ‘অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মনে জানাচ্ছি যে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি আমার রাজনৈতিক বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে আমার সাময়িক বিরতি, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে অবসর নয়।

যতদিন পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি আমার কাছে সুশৃঙ্খল, আদর্শনিষ্ঠ ও সুস্থ ধারায় পরিচালিত হচ্ছে বলে মনে না হবে, ততদিন আমি এই সাংগঠনিক রাজনীতিতে ফিরে আসব না।’

এদিকে, সুমাইয়ার পদত্যাগের ঘোষণার ওই পোস্টে শাখা ছাত্রদলের এক নেতা মন্তব্য করেন, ‘রাজনীতিতে ধৈর্য ধরে লড়াই করতে হয়, প্রতিবাদ করতে হয়। এভাবে পদত্যাগ করলে সমাধান হয় না, সমাধান নিজের বের করতে হবে।” এর উত্তরে সুমাইয়া লেখেন, “ভাই, প্রতিবাদ করলে সে বহিষ্কারই খেতে হয়। বহিষ্কার থেকে স্ব-ইচ্ছায় চলে যাওয়াই ভালো না?’

বহিষ্কারের প্রেক্ষাপট ও ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা

জাবি ছাত্রদলে সাম্প্রতিক অস্থিরতার শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে বিএনপিপন্থি একজন শিক্ষককে মনোনয়ন দেওয়াকে কেন্দ্র করে। এর জেরে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের’ কথা উল্লেখ করে জাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আঞ্জুমান আরা ইকরাকে বহিষ্কার করা হয়।

তবে বহিষ্কারাদেশে অভিযোগের বিস্তারিত কোনো উল্লেখ ছিল না। ইকরা জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে এজিএস পদে নির্বাচন করেছিলেন।
​
এই বহিষ্কারের প্রতিবাদে শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হন। তাদের মধ্যে সৈয়দা অনন্যা ফারিয়াও ছিলেন, যিনি আঞ্জুমান ইকরার প্রতি সংহতি জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘একজন মানুষ তার মতামত, সমর্থন দিতে পারবে না? যৌক্তিক সমালোচনা করলেই গলা টিপে ধরা হবে?’

এর দুদিন পরই, গত ২৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আরেক বিজ্ঞপ্তিতে সৈয়দা অনন্যা ফারিয়া এবং ইমাম হোসেনকে ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ অভিযোগে তাদের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর অনন্যা ফারিয়া ফেসবুকে অভিযোগ করেছিলেন যে, জাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক শিক্ষক তাঁকে কক্সবাজার যাওয়ার টিকিট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

পদত্যাগের বিষয়ে ছাত্রদলের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, ‘তিনি ব্যক্তিগত ইচ্ছা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই।’

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে কার্যকরী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।