মাসুম হোসেন , শাহজাদপুর প্রতিবেদকঃ
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ৭ নম্বর হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্হারুন অর রশিদ সরদার গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। হারুন অর রশিদ শাহজাদপুর উপজেলা ৭ নম্বর হাবিবুল্লা নগর ইউনিয়নের বিএনপি সাবেক সভাপতি প্রয়াত শহিদুল ইসলাম নান্নুর ছোট ভাই হারুন অর রশিদ তিনি বিএনপি ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি একজন সেনা সদস্য ছিলেন তিনি ১৫ বছর আগে অবসর নেন।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের নগরডালা বাজারে সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান। এ সময় তিনি দোকানে দোকানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
জনসংযোগকালে হারুন অর রশিদ সরদার স্থানীয়দের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন চাহিদা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। অনেকেই এ সময় তাদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন, যার সমাধানে হারুন অর রশিদ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, আমি আজকে ৭নং ওয়ার্ডে (ডায়া) বাজারের এসেছি আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এবং নির্বাচনী সালাম জানাতে। আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ এই এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারব। আপনারা আমাকে একটি বার ভোট দিয়ে যদি জয়যুক্ত করেন তাহলে এই ইউনিয়নে যতগুলো কাজ রয়েছে জনগণের স্বার্থে নির্বিধায় সকল্কে নিয়ে যেন করতে পারি। তিনি জনগণের কাছে আকুল দাবি জানান একটাবার যদি ইউনিয়ন পরিচালনা করার জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেন আমি এমন কাজ করতে চাই যা আগামী পাঁচ বছর পর যেন জনগণের কাছে আমার ভোট চাইতে না যেতে হয়। জনগণ যেন নিজ আগ্রহে যেন বলে আমি হারুন ভাইকে দ্বিতীয়বার মত চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
তিনি আরও বলেন, হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করাই আমার লক্ষ্য। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সব খাতে উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। আপনাদের সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সমর্থক ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ও উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
স্থানীয়দের মতে, প্রার্থীদের সরাসরি উপস্থিতি ও মতবিনিময় নির্বাচনী পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছে এবং ভোটারদের মধ্যে সচেতনতাথী