শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নবীগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে গত ২৯ আগস্ট শনিবার পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিছক সড়ক দুর্ঘটনা নয়—এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার রহস্য ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নিহতরা হলেন—নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা মাসুম পারভেজ এবং নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বেতাপুর গ্রামের শামিম আহমদ। মাসুম পারভেজ নবীগঞ্জ […]

নবীগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:০৩

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে গত ২৯ আগস্ট শনিবার পিকআপের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিছক সড়ক দুর্ঘটনা নয়—এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার রহস্য ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিহতরা হলেন—নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা মাসুম পারভেজ এবং নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের বেতাপুর গ্রামের শামিম আহমদ। মাসুম পারভেজ নবীগঞ্জ উপজেলার ঘুলডুবা মান্নান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শামিম আহমদ একই বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২ বছর আগে নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা গ্রামের খাইরুল ইসলামের মেয়ে আমিনা বেগম ওরফে হেপীর সঙ্গে মাসুম পারভেজের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে মিথি ও নিতি নামে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। একজন সপ্তম শ্রেণিতে এবং অপরজন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

বিয়ের প্রথমদিকে সংসার ভালো চললেও পরবর্তীতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মাসুম পারভেজের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিক হামলা ও মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের বিবাহবিচ্ছেদও হয়।

তবে দুই মেয়েকে দেখার জন্য আদালত মাসে একবার মাসুম পারভেজকে সন্তানদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার দিন বড় মেয়ে মিথি বাবার কাছে নতুন জুতা ও ছাতা নিয়ে আসার কথা জানায়। মেয়ের অনুরোধে মাসুম পারভেজ তার সহকর্মী শামিম আহমদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে পানিউমদা গ্রামে যান। মেয়েকে নতুন জুতা ও ছাতা দেওয়ার পর তারা মোটরসাইকেলে করে ফেরার পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে জানা যায়, সদরঘাট নতুন বাজার ও দেবপাড়া বাজারের মধ্যবর্তী নলসুজা এলাকায় একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন ডি.এ. পিকআপ দিয়ে পেছন থেকে শ্যালক সিরাজুল ইসলাম নিজেই তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে দুই আরোহী দুইদিকে পড়ে যান।

প্রত্যক্ষদূর্শী অনেকেই বলেন , ধাক্কা দেওয়ার পরও পিকআপটি থামেনি। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ গজ পর্যন্ত গাড়িটি মাসুম পারভেজকে ঘষে নিয়ে যায়। পরে একটি মাটির স্তূপে ধাক্কা লেগে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।

এ সময় স্থানীয় লোকজন ও হাইওয়ে পুলিশ গুরুতর আহত মাসুম পারভেজকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।

অপর আহত শামিম আহমদকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ঘটনার ওই দিনই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শামিম আহমদ মারা যান।

নবীগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, “ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আমরা এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই দেখছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।