শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা এই সরকারকে আন্দোলন করে আগামীকালকেই পতন করতে চাই না : গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘আমরা এই সরকারকে আন্দোলন করে আগামীকালকেই পতন করতে চাই না। উৎখাতের কোনো আন্দোলন আমরা করছি না।’ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের এক বৈঠক শেষে বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। লং মার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রত্যেক জেলা ও মহানগরে […]

আমরা এই সরকারকে আন্দোলন করে আগামীকালকেই পতন করতে চাই না : গোলাম পরওয়ার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:১৬

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘আমরা এই সরকারকে আন্দোলন করে আগামীকালকেই পতন করতে চাই না। উৎখাতের কোনো আন্দোলন আমরা করছি না।’

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের এক বৈঠক শেষে বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

লং মার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রত্যেক জেলা ও মহানগরে নিরাপদে এবং সুষ্ঠুভাবে লং মার্চ সম্পন্ন করার প্রস্তুতি আলহামদুলিল্লাহ সম্পন্ন হয়েছে। লং মার্চে প্রায় দেড় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশের পর গাড়িবহর চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। পথে কয়েকটি স্থানে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পৌঁছানোর আশা করছে ১১ দল।

পথসভাগুলোতে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি পথসভা চলার সময় অগ্রবর্তী একটি টিম পরবর্তী স্পটে চলে যাবে। সেখানে তারা বক্তব্য দিয়ে আবার পরবর্তী স্পটে চলে যাবে। মূল শীর্ষ নেতারা পরে ওই স্পটে গিয়ে যোগ দেবেন। এভাবে সময় সাশ্রয় করা হবে।

লং মার্চের সম্ভাব্য পথসভাগুলোর স্থান তুলে ধরে গোলাম পরওয়ার বলেন, চিটাগাং রোডের কাচপুর ব্রিজের পাশের ট্রাকস্ট্যান্ডে প্রথম পথসভা হবে। এরপর পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, কুমিল্লার নুরজান হোটেলের সামনে, চৌদ্দগ্রাম, মহিপাল ও মিরসরাইয়ে পথসভা হবে।

এরপর গাড়িবহর চট্টগ্রামের লালদীঘির উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। যানজট কিংবা গাড়ির কোনো কারিগরি সমস্যার মতো স্বাভাবিক কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সন্ধ্যা ৭টার দিকে লালদীঘিতে পৌঁছানোর আশা করছেন তারা।

লং মার্চে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে ডেলিগেট কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি গাড়িতে সামনে-পেছনে স্টিকার ও নম্বর থাকবে। শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা, অ্যাম্বুলেন্স, সাংস্কৃতিক বিভাগ, আইটি ও মেডিকেল বিভাগের গাড়িগুলো নির্দিষ্ট ক্রমে থাকবে।

গাড়িবহরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অংশগ্রহণকারীদের পথে গাড়ি থেকে না নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, পথসভায় স্থানীয় ১১ দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন।

গাড়িবহরের ডেলিগেটরা গাড়িতে অবস্থান করবেন। শুধু নির্ধারিত নেতারা বক্তব্য দেওয়ার জন্য গাড়ি থেকে নামবেন এবং বক্তব্য শেষে আবার গাড়িতে উঠবেন।

পথে নতুন কোনো গাড়ি যুক্ত হওয়ার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এই গাড়িবহরের ভেতরে পথে কেউ ঢুকতে পারবে না। যারা যুক্ত হতে চাইবেন, তাদেরকে একেবারে বহরের লাস্টে এসে যুক্ত হতে হবে।’

তিনি জানান, গাড়িবহরে মেডিকেল ও কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্স, সাংস্কৃতিক দলের গাড়ি এবং আইটি টিম থাকবে। আইটি টিম থেকে লং মার্চের লাইভ টেলিকাস্ট করা হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং প্রত্যেক দলের নিজস্ব মিডিয়া টিমও বহরে থাকবে।

চট্টগ্রামে লং মার্চ ঘিরে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে দাবি করে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘লালদীঘির ময়দান ছাপিয়ে গোটা চট্টগ্রাম মহানগরী জনসভায় রূপান্তরিত হবে।

তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে যে, আপনারা আমাদের এই নতুন সরকারের ক্ষমতায় আসার পর বিরোধী দল সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক এই গণতান্ত্রিক কর্মসূচি, এটা শান্তিপূর্ণ হবে, নিয়মতান্ত্রিক হবে। আপনারা এই কর্মসূচিকে সফল করার ব্যাপারে সকল প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়ে জনগণের আস্থায় থাকবেন।’

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আল্লাহ না করুন, যদি সরকারি কোনো দল, তার কোনো অঙ্গ বা পার্শ্ব সংগঠন অথবা প্রশাসনের কোনো অংশ যদি আমাদের এই বিশাল লং মার্চের বহরের কোনো প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করে, তাহলে এমনিতেই তো জনগণের আস্থা থেকে আপনারা সরে যাচ্ছেন। আপনারা এই জনগণের আস্থাকে তো আরও হারাবেন এবং জনরোষের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।’

লং মার্চের মাধ্যমে সরকার পতনের কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারকে আন্দোলন করে আগামীকালকেই পতন করতে চাই না। উৎখাতের কোনো আন্দোলন আমরা করছি না। জনগণের দাবি হলো- গণভোটের গণরায় মেনে নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা, জনদুর্ভোগ, সার, বিদ্যুৎ, দুর্নীতি ও দলীয়করণসহ ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করা।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা তো বলিনি যে আপনাদের উৎখাত করে ফেলব। ফলে আপনারা পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি যে সমস্ত দেশে আছে, বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি হচ্ছে গণতন্ত্রের একটা চর্চা, একটা সৌন্দর্য।’

‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে এখানে বিরোধী দল, সরকারি দলের অন্তত মত-সহিষ্ণুতা, রাজনৈতিক সহিংসতা, ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়নের যে ব্যাড কালচার আমাদের ছিল, তার থেকে আমরা ফিরতে শুরু করেছি—এই আস্থাটা প্রমাণ করার সুযোগ কিন্তু সরকারের কাছে এসেছে,’ বলেন তিনি।

এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা এই পর্যন্ত লং মার্চ নিয়ে কোনো নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা আশংকা করছি না। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ আছি। যখন সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকে তখন যারা শয়তান আছে বা অন্যান্য বিশৃঙ্খল আছে তারা ভয় পায়। আশা করি যে যখন সবাই একসাথে যাব সংখ্যাটা বেশি থাকার কারণে তারা ভয় পাবে।’

তিনি বলেন, “দুষ্কৃতিকারীরা এ ধরনের কোনো আর যদি করো এটা সরকার এটার দায়িত্ব বহন করতে হবে। সরকার দেশে নিরাপত্তা দিতে পারছে না। এটা আমরা ধরে নিব। এবং আমরা সরকারকে বলবো আপনার আশেপাশে যে সমস্ত মন্ত্রী আছে উল্টাপাল্টা কথা বলতেছে এদেরকে সামলান।”

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করব যে, সরকার এটাতে পূর্ণ নিরাপত্তা দেবে। কোনো যদি বিশৃঙ্খলা হয় বা কোনো হামলা হয়, বিএনপি সরকারকে এই দায়ভার পুরো বহন করতে হবে। যদি এই ধরনের কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, এটার শক্ত জবাব ইনশআল্লাহ দেওয়া হবে।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০

রাজনীতি

লং মার্চে বাধা দিলে শক্তভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি ১১ দলের

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে তা অতিক্রম করে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের নেতারা। একই সঙ্গে […]

লং মার্চে বাধা দিলে শক্তভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি ১১ দলের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৭

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।

লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে তা অতিক্রম করে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন জোটের নেতারা। একই সঙ্গে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি, বালুর ট্রাক বা খালি ট্রাক দিয়ে লংমার্চের বহর আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।

সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীনসহ ১১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ছয় দফা দাবি আদায়ে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য। কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

সরকার গত ছয় মাসে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো এবং জনদুর্ভোগ নিরসনসহ বিদ্যুৎ, সার ও গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংসদে ও সংসদের বাইরে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কটু ভাষায় কথা বলা এবং সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিরোধীদলীয় এমপিদের ওপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি লংমার্চে সরকার কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করবে না বলে তারা আশা করছেন। কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার, সরকারদলীয় শীর্ষ নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, লংমার্চে বাধা দেওয়া, সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা নাশকতার চেষ্টা করা হলে তা জুলাই অভ্যুত্থানের পর আকাঙ্ক্ষিত নতুন বাংলাদেশের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা আরও বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১১ দলের নেতারা বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে সব বাধা অতিক্রম করে তারা চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছাবেন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে তারা জনগণের কাছে যাচ্ছেন। তাদের দাবি, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন দেশের জনগণের দাবি; এ কারণেই লংমার্চের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা যাচ্ছে দাবি করে নেতারা বলেন, এটি কৃত্রিম যানজট। লংমার্চের দিন ইচ্ছাকৃতভাবে যানজট সৃষ্টি কিংবা বালুর ট্রাক বা খালি ট্রাক দিয়ে বহর আটকে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।

এ সময় পুলিশ প্রশাসন, সরকারি কর্মকর্তা, ট্রাফিক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান তারা।

লংমার্চের কর্মসূচি
১১ দলের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে চট্টগ্রামের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু হবে। পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া অনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জনসমাগমে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। স্থানীয় পথসভাগুলোর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা করবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার ১১ দলের স্থানীয় নেতারা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০