সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শেরপুরে বিএনপির আলোচনা সভা

​স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এ দুটি ঘটনাকে একই সূত্রে গেঁথে নতুন রাজনৈতিক রূপরেখা ও সতর্কবার্তা দিলো শেরপুর উপজেলা বিএনপি।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৫

শেরপুর (বগুড়া)

​স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান এ দুটি ঘটনাকে একই সূত্রে গেঁথে নতুন রাজনৈতিক রূপরেখা ও সতর্কবার্তা দিলো শেরপুর উপজেলা বিএনপি। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভাটি কেবল স্মৃতিরোমন্থনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং তা রূপ নেয় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উস্কানি ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে এক কঠিন হুঁশিয়ারিতে।

​বুধবার সকাল ১০টায় শেরপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শফিকুল আলম তোতা।

​গণঅভ্যুত্থানের একক কৃতিত্বের মানসিকতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার

সভায় মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে পুঁজি করে একশ্রেণীর রাজনীতিবিদের অতি-উৎসাহী বক্তব্য ও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা।

​উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু তাঁর বক্তব্যে বিএনপির দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো ২৪-এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসও চিরস্মরণীয়। কিন্তু বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যারা রাজপথে রক্ত দিয়েছে, সেই মানুষদের নম্রতাকে কেউ যেন দুর্বলতা মনে না করে। ‘জুলাই সনদ’-এর নাম ভাঙিয়ে কোনো রাজনৈতিক চক্রান্ত এ দেশের জনগণ বরদাশত করবে না।”

​সম্প্রতি এনসিপি নেতা নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বাবলু সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান ও ভাবি গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হলে তা শক্ত হাতে দমন করা হবে। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গে বা বগুড়া জেলায় নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী পা রাখলে রাজপথে ব্যারিকেড দিয়ে তাঁকে প্রতিহত করা হবে।”

শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু তাঁর বক্তব্যে ক্ষমতার দম্ভ ও ইতিহাস বিকৃতির পরিণতি নিয়ে এক সুচিন্তিত রাজনৈতিক থিওরি তুলে ধরেন।

​তিনি বলেন, “আন্দোলনে তরুণদের রক্ত ও ভূমিকা আমরা পূর্ণ শ্রদ্ধায় স্বীকার করি। কিন্তু একক কৃতিত্ব দাবি করে অন্যায্যভাবে ক্ষমতায় বসার কিংবা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গের মানসিকতা কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইতিহাস থেকে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত। ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাসকে খাটো করার কোনো চক্রান্ত দেশের সচেতন মানুষ মেনে নেবে না।”

​শেখ পরিবারের পতন থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মিন্টু আরও বলেন, “৭১-এর পর বাকশাল গঠন করে শেখ মুজিব এবং পরবর্তীতে ক্ষমতার মদমত্ততায় অন্ধ হয়ে শেখ হাসিনা যেভাবে নিজের পতন ডেকে এনেছেন, বর্তমানের অপপ্রচারকারী ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের পরিণতিও একই হবে। আমাদের দল ও জাতীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো অপপ্রচার রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকতে হবে।”

​নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও ঐক্যের বার্তা

শেরপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রশিদ আপেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় রাজনৈতিক সংহতি প্রকাশ করেন স্থানীয় জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃবৃন্দ।

​সভায় উপস্থিত ছিলেন:

​বিএনপি নেতৃবৃন্দ: উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি পিয়ার হোসেন, আশরাফ উদ্দিন ভোলা, বিএনপি নেতা হেলালুজ্জামান হেলাল, মাহবুবুল আলম হিরু, জিএম মোস্তফা, মোয়াজ্জেম হোসেন, জাহিদুর ইসলাম টুলু, মোস্তাফিজুর রহমান নিলু, বদিউজ্জামান বদি, কায়কোবাদ ও আব্দুল ওহাব।

​অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শেরপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফুদ্দৌলা মামুন, সোবাইদুল ইসলাম, সজিব এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হাফিজুল আসিফ শাওনসহ অঙ্গ-সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

​শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও মোনাজাত

আলোচনা সভা শেষে ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী সকল বীর শহীদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শেরপুর উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।