শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হবিগঞ্জ, সিলেট ও কুড়িগ্রামে এনসিপির ওপর হামলা ঘিরে জামায়াত-এনসিপির মধ্যে বাগযুদ্ধ

হবিগঞ্জ, সিলেট ও কুড়িগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। হামলার প্রতিবাদ, প্রতিক্রিয়ার সময় এবং ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে। যদিও দুই দলের শীর্ষ নেতারা বলছেন, অনলাইন বিতর্ককে জোটগত সম্পর্কের সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। গত মঙ্গলবার […]

হবিগঞ্জ, সিলেট ও কুড়িগ্রামে এনসিপির ওপর হামলা ঘিরে জামায়াত-এনসিপির মধ্যে বাগযুদ্ধ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪৮

হবিগঞ্জ, সিলেট ও কুড়িগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। হামলার প্রতিবাদ, প্রতিক্রিয়ার সময় এবং ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে। যদিও দুই দলের শীর্ষ নেতারা বলছেন, অনলাইন বিতর্ককে জোটগত সম্পর্কের সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ ওঠে। দলটির দাবি, বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন। এতে এনসিপির স্থানীয় কর্মী আলিফ চৌধুরী গুরুতর আহত হন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়েছে।

ঘটনার পরপরই ইসলামী ছাত্রশিবির হামলার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়। পরে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টিসহ কয়েকটি দলও পৃথক বিবৃতিতে ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। তবে জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ২৮ ঘণ্টা পর বিবৃতি দিয়ে হামলার নিন্দা জানায়। এ বিলম্ব নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির একাংশের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

এদিকে হবিগঞ্জের ঘটনার পর এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সেখানে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বলে দলটির অভিযোগ। পরদিন সিলেট ও কুড়িগ্রামেও এনসিপির পদযাত্রা ও মিছিলে হামলার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে ১১ দলীয় জোটের বৈঠকে এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে এনসিপির প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপির সমর্থকদের একটি অংশ অভিযোগ করেন, বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই জামায়াত হামলার ঘটনায় শুরুতে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে বিলম্ব করেছে। তাদের দাবি, প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির প্রতি জামায়াত তুলনামূলক নমনীয় অবস্থান নিয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াতের সমর্থকদের দাবি, হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের মতে, এসব ঘটনাকে সামনে এনে বিরোধী রাজনীতিতে এনসিপির গুরুত্ব বাড়ানোর কৌশল নেওয়া হয়েছে।

এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ঘটনাকে ‘সুপরিকল্পিত’ বলে উল্লেখ করেন।

তার ভাষ্য ছিল, এসব ঘটনার উদ্দেশ্য হতে পারে জুলাই মাসে জামায়াতকে আলোচনার বাইরে রাখা এবং এনসিপির প্রতি জনসমর্থন সৃষ্টি করা। তবে পোস্টটি প্রকাশের কিছু সময় পরই তিনি তা মুছে ফেলেন। এরই মধ্যে পোস্টটির স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।

জাহিদুল ইসলামের ওই মন্তব্যের জবাবে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, হামলার প্রতিবাদ জানানোর পরিবর্তে ষড়যন্ত্রের ব্যাখ্যা খোঁজা হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী হওয়ায় কিছু রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

এরপর দুই পক্ষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি মন্তব্য আরও তীব্র হয়ে ওঠে। জামায়াতের সমর্থকেরা দাবি করেন, হামলার পর হবিগঞ্জ ও সিলেটের জকিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে এনসিপির নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরাই সহযোগিতা করেছেন।

অন্যদিকে এনসিপির সমর্থকদের বক্তব্য, বাস্তব সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরলেও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে বিলম্বের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তপ্ত বিতর্ক চললেও মাঠের রাজনীতিতে দুই দলের সম্পর্কে প্রকাশ্য কোনো টানাপোড়েনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আহত এনসিপিকর্মী আলিফ চৌধুরীকে দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হামলার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিচারের দাবি করেন। একই সঙ্গে ১১ দলীয় জোটও আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপির প্রতি তাদের সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭০