নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার সদরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১২জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে হ্যাপি আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকিল কলেজ হাসপতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সকালে জমিতে রোপা আমন ধানের চারা রোপন করতে গেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহতরা হলেন- মো. হারেছ মিয়া (৬১), মো. নূরুল হক (৪৫), নেত্রকোনা আঞ্জুমান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুফল মিয়া (১৬), সুরমা আক্তার(৩৫), মো. আল মামিন (৩৫)। অন্য আহতদের নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদরের পশ্চিম উলুয়াটী গ্রামের কৃষক নূরুল হকের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে আবুল কালাম, মো. সালাম মিয়া, হাসেম মিয়ার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে নূরুল হক জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করতে গেলে আবুল কালাম তার লোকজন নিয়ে বাধা দেয় এবং মারপিট করে।
তার পরিবারের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাদেরকে এলোপাথারী পিটিয়ে আহত করে। স্থানীরা স্বজনদের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হ্যাপী আক্তারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
আহত নূরুল হকের ভাই ওয়ারেছ উদ্দিন খান বলেন, আবুল হাশেমের ভাই মো. নজরুল ইসলাম পুলিশের চাকুরি করে। তার দাপটে গ্রামে তাদের ভাইয়েরা মানুষকে মানুষ মনে করে না। তাদের অত্যাচারে গ্রামের মানুষ অতিষ্ঠ।
সালাম মিয়া বলেন, আমাদের জমি জোর করে নূরুল হক ও তার লোকজন দখল করে চাষাবাদ করতে চায়। ভুলে আর ও আর এ তাদের নাম উঠে যায়। আমরা বধা দিতে গেলে মারামারি হয়েছে। আমাদেরও ৫-৬জন আহত হয়েছে।
নেত্রকোনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পাওয়া গেলে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।