পটুয়াখালীর গলাচিপার উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা দীপা রানী দাস (৫১)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রনগোপালদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দশমিনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দীপা রানী দাসকে ঝুলতে দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত দীপা রানী দাস দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রনগোপালদী গ্রামের শুভ্র সূচি দাসের স্ত্রী। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার হিজলবাড়ি গ্রামের প্রয়াত যোগেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে এবং গলাচিপার উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষিকা ছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে তিনি মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে এবং এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।