বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় নজরদারিতে পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরা

সারাদেশে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে সিসিটিভি নজরদারির পাশাপাশি এবার কেন্দ্রের বাইরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য এ প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজধানীর উত্তরা রাজউক মডেল কলেজ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ […]

এইচএসসি পরীক্ষায় নজরদারিতে পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরা

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭

সারাদেশে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ ব্যবহার করা হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরে সিসিটিভি নজরদারির পাশাপাশি এবার কেন্দ্রের বাইরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য এ প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পরীক্ষার প্রথম দিনে রাজধানীর উত্তরা রাজউক মডেল কলেজ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করতে দেখা যায়। একই সঙ্গে কেন্দ্রের বাইরে মাইকিংয়ের মাধ্যমে অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতন করা হয়। যানজট ও ভোগান্তি এড়াতে সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার ইতিবাচক ফল দিয়েছে, যা শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

শিক্ষা উপদেষ্টা আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই প্রযুক্তি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শিক্ষক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পর অসদুপায় অবলম্বনের ঘটনা প্রায় ৭৮ শতাংশ কমে আসে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে বডি ওর্ন ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে পরীক্ষা আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯২ হাজার ৯০৫ জন ৪৬১টি কেন্দ্রে এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।