ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গত দেড় মাসে ১০ হাজার ‘অনুপ্রবেশকারীকে’ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিধানসভায় দেওয়া তার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহল, মানবাধিকারকর্মী এবং বিশ্লেষকদের একাংশ বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ১২টি অস্থায়ী আটককেন্দ্রে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৮০০ জন অবস্থান করছেন এবং তাদের বিষয়ে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সমালোচকদের দাবি, এত বড় সংখ্যক মানুষকে ফেরত পাঠানো হলে তার প্রশাসনিক নথি, সীমান্ত সংক্রান্ত তথ্য কিংবা সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ হওয়া উচিত ছিল। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য সামনে আসেনি।
বিতর্কের আরেকটি কারণ হলো, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রায় ৪ হাজার ৮০০ জনকে সীমান্ত পার করানোর কথা বলেছিলেন। বর্তমান দাবির সঙ্গে সেই সংখ্যার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুকে সামনে এনে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, প্রকৃত নাগরিকদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দিতে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত, নাগরিকত্ব ও অভিবাসন প্রশ্ন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ফলে বিষয়টি আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?