মহিপুর (কলাপাড়া) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর মহিপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ উত্তীর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র, সম্মাননা স্মারক ও বৃত্তির অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
স্থানীয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দা নূর একাডেমির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সকালে মহিপুর কারিতাস হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়। পরে অতিথিদের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সোনালী ব্যাংক মহিপুর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল হোসেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ-সম্পাদক হাফিজুর রহমান আকাশ, কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ-সম্পাদক আবদুল্লাহ মানিক, মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাশেদুল আলম, ইয়ুথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলাম সাগর, সিদ্দিকুর রহমান, দা নূর একাডেমির পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন এবং প্রধান শিক্ষক হাফেজ মোঃ মজিবুর রহমান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে একাডেমির শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষায় উৎসাহিত করতে বৃত্তি পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করে। তারা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, দা নূর একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের এমন উদ্যোগ স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র, সম্মাননা স্মারক এবং বৃত্তির নগদ অর্থ তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও অভিভাবকদের সন্তুষ্টিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন এবং শিক্ষা বিস্তারে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।