শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জুনের শেষভাগেও মেলেনি মে মাসের বেতন, দুর্ভোগে মাদ্রাসা শিক্ষকরা

এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন-ভাতা এখনো ছাড় না হওয়ায় দেশের প্রায় দুই লাখ শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জুন মাসের ১৯ তারিখ পেরিয়ে গেলেও বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা অধিদপ্তরের বেতন কোডে অর্থসংকট রয়েছে। তবে কেন এ সংকট সৃষ্টি […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ জুন ২০২৬, ২১:৫২

এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন-ভাতা এখনো ছাড় না হওয়ায় দেশের প্রায় দুই লাখ শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জুন মাসের ১৯ তারিখ পেরিয়ে গেলেও বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা অধিদপ্তরের বেতন কোডে অর্থসংকট রয়েছে। তবে কেন এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তর বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা আশ্বাস দেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মাদ্রাসা শিক্ষক জানান, গত মাসের শেষ সপ্তাহে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। সে হিসেবে তাঁরা আশা করেছিলেন, ঈদের আগেই মে মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হবে। কিন্তু তা হয়নি।

সরকারিভাবে প্রদত্ত ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা দিয়ে ঈদ উদযাপন করা প্রায় অসম্ভব। অনেকেই ধার-দেনা করে ঈদ পালন করেছেন এবং বর্তমানে পাওনাদারদের চাপের মুখে রয়েছেন।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বোয়ালিয়া সালেহিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (গণিত) মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষকদের জাতি গড়ার কারিগর বলা হয়। অথচ তাঁদের এমন অস্বাভাবিক ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার বাড়ি বগুড়ায়, আর কর্মস্থল পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায়।

ঈদুল আজহার আগে যে উৎসব ভাতা দেওয়া হয়েছে, তা পরিবার নিয়ে বাড়ি যাতায়াতের খরচেই শেষ হয়ে গেছে। আমার মতো যাঁরা শত শত মাইল দূরে কর্মরত, তাঁদের দুর্ভোগ এখন চরমে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত বেতন-ভাতা ছাড় করে শিক্ষকদের এই দুর্ভোগ লাঘব করা।”

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন, গলাচিপা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও প্রভাষক (ইংরেজি) মো. নুরুল ইসলাম নিলয় এক বিবৃতিতে বলেন, “সাধারণত প্রতি মাসের ৫ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়।

কিন্তু মে মাসের বেতন জুন মাসের শেষভাগে এসেও ছাড় না হওয়ায় শিক্ষকরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “প্রত্যেক শিক্ষকের সংসার পরিচালনা, সন্তানদের লেখাপড়া, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসাসহ মাসিক আয়-ব্যয়ের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকে। সময়মতো বেতন না পেলে সেই পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে। অনেক পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে যায়।”

মাদ্রাসা শিক্ষকদের দাবি, বেতন-ভাতা বিলম্বের কারণ সম্পর্কে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান এবং অবিলম্বে মে মাসের বেতন ছাড়ের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে তাঁরা স্বাভাবিকভাবে পরিবার ও পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।