রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শহীদ জিয়াই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়ক

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান ও সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়কে পরিণত হয়েছেন। তাই নতুন প্রজন্মের উচিত শহীদ জিয়ার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা এবং তার আদর্শ অনুযায়ী রাজনীতি করা। বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত স্বাধীনতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৬, ২৩:৩৬

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান ও সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়কে পরিণত হয়েছেন। তাই নতুন প্রজন্মের উচিত শহীদ জিয়ার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা এবং তার আদর্শ অনুযায়ী রাজনীতি করা।

বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ আয়োজিত স্বাধীনতা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহীদ জিয়ার ঘোষণার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু এ দেশকে পরাধীন করার মতলবে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে শহীদ জিয়ার বদলে ভারতীয় সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করানো হয়। এর মাধ্যমে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে স্বাধীনভাবে দেশকে গড়ে তুলতে না দিয়ে পাকিস্তানের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করা শেখ মুজিব ও কলকাতায় থাকা আওয়ামীদের কাছে দেশকে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

খোমেনী ইহসান বলেন, স্বাধীনতার পর নির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে ভারতের প্রেসক্রিপশনে গণবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ ফ্যাসিবাদী সংবিধান প্রণয়ন করে মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্খাকে হত্যা করেছিল। যার অনিবার্য পরিণতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে মুজিব শাসনের পতন হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে বাংলাদেশকে সঠিক পথে ফেরান।

তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়া সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এবং আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাসকে মূলনীতি করে বহুদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করে দেশকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ মুক্ত করেন। তিনি সেনাবাহিনীর কলেবর বর্ধিত করেন ও আইনি ক্ষমতা-কর্তৃত্ব প্রদান করেন। তিনি আদালত, সংবাদপত্র ও জনগণের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে প্রবাসে শ্রমিক পাঠিয়ে রেমিট্যান্স আয় ও গার্মেন্টস শিল্প তৈরি করে রপ্তানি আয়ের সূচনা করে জাতীয় অর্থনীতি গড়েন।

শহীদ জিয়াকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার মূলনায়ক আখ্যা দিয়ে খোমেনী ইহসান বলেন, বিগত ৫৫ বছরে প্রমাণিত শহীদ জিয়াই একমাত্র আদর্শ মুসলিম শাসক ছিলেন, কারণ তিনিই প্রকৃত দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার সময়ে ইসলাম ও মুসলমান নিরাপদ ছিল। তার সময়ে সবচেয়ে বেশি রহমত নাজিল হয়েছিল বলে দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি।

স্বাধীনতা উৎসবে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক ঘোষণা দেন, নতুন মুসলিম জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে দেশ পরিচালনার সময়কালকে ‘জিয়া-পথ’ বলে গ্রহণ করে এর ওপর গবেষণা ও পাঠচক্র পরিচালনা করবে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া যে রাজনৈতিক পথ নির্দেশ রেখে গেছেন তা বর্তমান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বাস্তবতার আলোকে আমরা বিকশিত করব।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, সহকারী সদস্য সচিব গালীব ইহসান, সদস্য সাইদুল ইসলাম, বায়েজিদ বোস্তামি এছাড়া বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ফজলুর রহমান এবং বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম।

আমন্ত্রিত অথিতিদের মধ্যে বক্তৃতা রাখে ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান।

উৎসবে কুরআন তিলাওয়াত করেন হাফেজ শাকিল আহমেদ। এছাড়া সম্মিলিতভাবে দুরূদ পাঠ করা হয়। পরে শহীদ নবাব সিরাজুদ্দৌলা থেকে শুরু করে ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ এর শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়।

শেষ পর্বে কেক কেটে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয় এবং নাগরিক টি পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৮