মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার আটপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকরা হামলা করার অভিযোগ ওঠেছে। রবিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার অভয়পাশা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক মোখলেছুর রহমান পরশ ও বাচ্চু মিয়া নামে দুইজন আহত হয়েছে। তারা নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  মোখলেছুর রহমান পরশ উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০:০৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার আটপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর ধানের শীষ প্রার্থীর সমর্থকরা হামলা করার অভিযোগ ওঠেছে। রবিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার অভয়পাশা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক মোখলেছুর রহমান পরশ ও বাচ্চু মিয়া নামে দুইজন আহত হয়েছে। তারা নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

মোখলেছুর রহমান পরশ উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সুবহান মিয়ার ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরশ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বাচ্চু মিয়া একই ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি ও অভয়পাশা বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

অভিযুক্ত রবিকুল ইসলাম একই ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও আড়াগাও গ্রামের বাসিন্দা। 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান পরশ ও বাচ্চু মিয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলালের সমর্থক হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা করেন। পরে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী সমর্থকরা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এদিকে ধানের শীষের প্রার্থী বিজয় লাভ করেন। এ থেকে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। রবিবার রাতে অভয়পাশা বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে মোখলছুর রহমান অভয়পাশা মধ্য বাজারে পৌঁছার পর রবিকুল ইসলাম, রহিছ আলামিন, লালন ও রাজু তাদের লোকজন নিয়ে হামলা করেন। এ সময় মোখলেছুর রহমান ও অভয়পাশা বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের ভর্তি করেন। 

ভুক্তভোগী মোখলেছুর রহমান পরশ বলেন, ৫আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর রবিকুল ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোনা মিয়া অভয়পাশা বাজারে লুটপাট করার চেষ্টা করেন। আমি ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচিত দুইবারের সাধারণ সম্পাদক এবং দুইবারের সভাপতি। ওই ইউনিয়ন থেকে ধানের শীষ প্রতীকের ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করেছি। ওই হিসেবে আমি বাজারে লুটপাট এবং ভাঙচুর করতে দেয়নি। এরপর তারা আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে নির্বাচন করেছি। নির্বাচন চলাকালীন সময় থেকে আমাদেরকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল তারা। রবিবার রাতে অভয়পাশা বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় মধ্য বাজারে রবিকুল, রহিছ, আল আমিন ও লালন তাদের লোকজন নিয়ে আমার উপর হামলা করে। এ সময় বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়াকেও তারা মারপিট করে।

অভয়পাশা বাজারের সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া বলেন, অভয়পাশা বাজারের ইজারার শিডিউল সোমবার জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইজারার বিষয়ে মোখলেছুর রহমান ও আমরা মিটিং করে রাত ১২টার দিকে বাড়িতে যাচ্ছিলাম। মধ্য বাজারে রবিকুল তার লোকজন নিয়ে আমাদের উপর হামলা করে। এ সময় মোখলেছুর রহমান ও আমি আহত হই। পরে আমার সাথে থাকা ৫৮ হাজার টাকা তারা নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি’র সভাপতি রবিকুল ইসলাম বলেন, রাতে আমি অভয়পাশা বাজারে ছিলাম। হঠাৎ মানুষের ডাক চিৎকার শুনতে পাই। পরে গিয়ে শুনি মোখলেছুর রহমান পরশ ও বাচ্চু মিয়ার উপর কে বা কারা হামলা করেছে। এখন আমাদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। আমি এ ব্যাপারে কিছু জানি না।

শ্বরমুশিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান রিপন ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায় কমিটির সদস্য আয়াতুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক হিসেবে যারা কাজ করেছে তাদেরকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। রবিবার রাতে অভয়পাশা বাজার ইজারার বিষয় নিয়ে মোখলেছুর রহমান পরশ ও অভয়পাশা বাজারে বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া বাজারে মিটিং শেষ করে বাড়ি যাওয়ার পথে রবিকুল তার লোক জন্য হামলা করে। এটি অত্যন্ত নেক্কা ষরজনক ঘটনা। এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।

আটপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাসুম চৌধুরী জানান, শুনেছি অভয়পাশা বাজারে রবিবার রাতে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই ঘটনাটি রাজনৈতিক কোন বিষয় না। এটি তাদের দু’পক্ষের বিষয়।

নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও মো. মাজহারুল আমীন বলেন, আটপাড়ার মোখলেছুর রহমান পরশ ও বাচ্চু মিয়া নামে দুইজন আহত রোগী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জোবায়দুল আলম জানান, রবিবার রাতে অভয়পাশা বাজারে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সকালে পুলিশ সেনাবাহিনী সহ আমি অভয়পাশা বাজারে গিয়েছিলাম। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। তবে মারামারি হওয়ার বিষয়টি জানিনা। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগও দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।