মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ক্রিকেট

টানা দুই জয়ের পর খুলনার হার, জয়ে ফিরলো রাজশাহী

এবারের বিপিএলে খুলনা টাইগার্সের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। প্রথম দুই ম্যাচেই জয় তুলে নেয় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে তারা হার দেখেছে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে। টানা দুই জয়ের পর হেরেছে খুলনা, টানা দুই হারের পর জয়ে ফিরেছে রাজশাহী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ (শুক্রবার) খুলনাকে ২৮ রানে হারিয়েছে এনামুল হক বিজয়ের দল। ১৭৯ […]

নিউজ ডেস্ক

১০ জানুয়ারী ২০২৫, ১৮:৩০

এবারের বিপিএলে খুলনা টাইগার্সের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। প্রথম দুই ম্যাচেই জয় তুলে নেয় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে তারা হার দেখেছে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে। টানা দুই জয়ের পর হেরেছে খুলনা, টানা দুই হারের পর জয়ে ফিরেছে রাজশাহী। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ (শুক্রবার) খুলনাকে ২৮ রানে হারিয়েছে এনামুল হক বিজয়ের দল।

১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় খুলনা। জিশান আলমের অফস্পিনে উইলিয়াম বসিস্তু (৫ বলে ৬) একবার এলবিডব্লিউ আবেদন থেকে বেঁচে গেলেও ঠিকই ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন প্রথম ওভারেই। তাসকিন আহমেদের শিকার হওয়ার আগে মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ৭ বলে মাত্র ১ রান।

২৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন নাইম শেখ আর আফিফ হোসেন। কিন্তু দুজনই রানের লক্ষ্য বাদ দিয়ে বল নষ্ট করতে থাকেন। ২৮ বল খেলে ২৪ রান করে আউট হন নাইম। আফিফ ৩৩ করতে খরচ করেন ৩০ বল। তখনই আসলে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে খুলনা।

মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন সেই চাপ সরাতে হাত খুলে খেলতে শুরু করেন। কিন্তু তার ইনিংসটি থেমেছে ১১ বলে ২ ছক্কায় ১৮ রানে। এরপর ইমরুল কাযেস ৬ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় ১৭ রানের ক্যামিও উপহার দেন। তবে ছোট ছোট এসব ইনিংসে দলের জয়ের কোনো সম্ভাবনাই তৈরি হয়নি। শেষ পর্যন্ত খুলনা ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে ১৫০ রানে অলআউট হয় খুলনা।

তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজী আর রায়ান বার্ল নেন দুটি করে উইকেট। এর আগে ৯.৫ ওভারে ৬৭ রানে ৪ উইকেট ছিল না দুর্বার রাজশাহীর। বেশ বিপদেই পড়েছিল দলটি। সেখান থেকে ইয়াসির আলী রাব্বি, রায়ান বার্ল আর শেষদিকে আকবর আলীর ক্যামিওতে ৫ উইকেটে ১৭৮ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করায় রাজশাহী।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা খারাপ ছিল না রাজশাহীর। গতিশীল ইনিংস না হলেও রানের একটি ভিত গড়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ হারিস ও জিশান আলম। ২০ বলে ২৭ রান করে ফেরেন হারিস। ২২ বলে ২৩ রান করেন জিশান।

আজ ব্যাট হাতে ভালো করতে পারেননি অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় (৮ বলে ৭)। নাসুম আহমেদের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ইমরুল কায়েসের হাতে ক্যাচ হন ডানহাতি ব্যাটার। এসএম মেহেরব ৭ বলে ৫ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হন।

পঞ্চম উইকেটে ৮৮ রানের জুটি করেন ইয়াসির আলী রাব্বি ও রায়ান বার্ল। এতেই লড়াকু সংগ্রহের দিকে যায় রাজশাহী। ফিফটি করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় ইয়াসির আলীকে। আবু হায়দার রনির করা ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ২৫ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় ৪১ রান করে বোল্ড হন তিনি।

এরপর উইকেটে এসেই ঝড় তোলেন আকবর আলী। ৯ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ২১ রানের ক্যামিও উপহার দেন যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। বার্ল ২৯ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন। নাসুম আহমেদ ২০ রানে ২টি আর মোহাম্মদ নওয়াজ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও আবু হায়দার রনি নেন একটি করে উইকেট।

ক্রিকেট

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ […]

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ০৯:৫৯

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।



এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।


সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

ক্রিকেট

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার। ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে […]

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪০

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার।

ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে পরবর্তীতে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদদের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে দেশে সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা শুরু হয়, যার প্রভাব এখনো রয়েছে।

ভারতের মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে—ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম-২০২৬-এর জার্সি উন্মোচনে—এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশ নিতে না দেওয়াটা অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল ছিল।

ভারতীয় ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট RevSportz-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি। তার ভাষায়, একটি দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নিজেদের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ দেখতে চাওয়া স্বাভাবিক, আর বাংলাদেশের মতো দলের অনুপস্থিতি ছিল বড় ধরনের মিস।

তিনি আরও বলেন, “এটি সরকারের পক্ষ থেকে একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল যে তারা সেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।”

নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সাবেক অধিনায়ক জানান, সময়ের সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দেশের মাটিতে ক্যারিয়ার শেষ করার ইচ্ছাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ক্রিকেট

ক্রিকেটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনাই প্রধান কাজ: তামিম ইকবাল

সবাই মিলে ক্রিকেটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনাই হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রধান কাজ বলে মন্তব্য করেছেন সভাপতি তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে অ্যাডহক কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তামিম ইকবাল বলেন, বিগত এক-দেড় বছরে ক্রিকেটের রেপুটেশনের ক্ষতি হয়েছে, আমাদের সবাই মিলে এই জিনিসটা ঠিক করতে হবে। […]

ক্রিকেটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনাই প্রধান কাজ: তামিম ইকবাল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:২৩

সবাই মিলে ক্রিকেটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনাই হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রধান কাজ বলে মন্তব্য করেছেন সভাপতি তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে অ্যাডহক কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তামিম ইকবাল বলেন, বিগত এক-দেড় বছরে ক্রিকেটের রেপুটেশনের ক্ষতি হয়েছে, আমাদের সবাই মিলে এই জিনিসটা ঠিক করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সমালোচনা থাকবে—ভালো-মন্দ সব নিয়েই কথা হবে। তবে আমরা কেউই চাই না ক্রিকেট তার বর্তমান অবস্থায় থাকুক; এটাকে আবার গর্বের জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। বিসিবির সঙ্গে যুক্ত সবাই যেন গর্ব করে নিজেদের পরিচয় দিতে পারেন—সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনা আমাদের লক্ষ্য।

তামিম বলেন, খেলোয়াড় ও সব স্টেকহোল্ডারকে সম্মান করে আমরা উন্নতির চেষ্টা করবো। ভুল হলে সেখান থেকে শিখে সামনে এগোবো।

প্রসঙ্গত, আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। বিপরীতে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠন করা হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি।

কমিটির অন্য সদস্যেরা হলেন- ইসরাফিল খসরু, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মিনহাজুল আবেদীন, আতাহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম, ও ফাহিম সিনহা।