আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি এবং নিজের মানসিক অবস্থার স্মৃতিচারণ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সাঈদীর মৃত্যুর সময় তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই সময়ের অনুভূতি থেকে তিনি একটি গান লিখেছিলেন। গানটি প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে চাপ ও হুমকির মুখে পড়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, সাঈদীর মৃত্যুর পর অন্য অনেক জায়গার মতো রাজশাহীতেও থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। খবরটি শোনার পর তিনি প্রথমে তার বাবা-মাকে ফোন করেন। তারাও নীরব হয়ে পড়েছিলেন। নিজের আবেগ সামলাতে না পেরে তিনি গানটি লিখতে বসেন।
তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, গানটি লেখার সময় তার খাতা চোখের পানিতে ভিজে গিয়েছিল। পরে তিনি নিজেই গানটিতে সুর দেন এবং রাতে সেটি গেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন।
আম্মার জানান, গানটি প্রকাশের পর ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। বিভিন্ন সিনিয়র তাকে ফোন করে গানটি মুছে ফেলতে বলেন। তাদের মাধ্যমে তার ফোন নম্বর সংগ্রহ করে একের পর এক ফোন করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এত ফোন আসার পরও তিনি গানটি মুছে ফেলেননি।
পোস্টের শেষে আল্লামা সাঈদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। একই সঙ্গে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তিনি।