শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় শৃঙ্খলা আনতে অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের উদ্যোগ

রাজধানী ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ানো ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ডিএসসিসি প্রশাসক এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে […]

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় শৃঙ্খলা আনতে অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের উদ্যোগ

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় শৃঙ্খলা আনতে অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের উদ্যোগ

ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৬

রাজধানী ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ানো ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।


ডিএসসিসি প্রশাসক এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা ওই এলাকার মধ্যেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে যাতে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজন অনুযায়ী দিন ও সড়কভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

তিনি বলেন, রিকশার সমস্যাটা কোত্থেকে আসলো, কীভাবে আসলো- সেটা বের করে সমাধান করতে হবে।

এই সমস্যাটাও আমাদেরই, আমাদেরই সমাধান করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকেই সমাধান করতে হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তায় বর্তমানে এদিক-সেদিক, উলটো দিকসহ বিভিন্নভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশা চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন ও চলাচলের শৃঙ্খলা মানছে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অযাচিত যানজট আরও বাড়ছে।

রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসে ফুটপাত ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান নিচ্ছে।

কেউ রিকশা চালাচ্ছে, আবার কেউ ভ্যান নিয়ে সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করছে। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষের ঢাকামুখী প্রবেশ নগরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের মানুষকে কি আমরা ঢাকা শহরে জায়গা দিতে পারব? এটাও তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’ এ কারণে রিকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিবহণ ব্যবস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকায় প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। এসব রিকশাকে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘ডেমরার একটা রিকশা কোনোভাবেই নিউ মার্কেটে যেতে পারবে না। অঞ্চলভিত্তিক আমরা ভাগ করে দেব। ভাগ করে দিয়ে তাদেরকে হয়তো দিনও ভাগ করে দেব।

কিছু কিছু রাস্তা ভাগ করে দেব, কিছু কিছু রাস্তায় যাতে তারা একেবারেই চলাচল করতে না পারে-সেই জায়গাটা ঠিক করে দেব।’

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে রিকশা চালাতে পারবে না। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে চলাচল করা কিংবা ডেমরা থেকে নদী পার হয়ে রিকশা নিয়ে অন্য এলাকায় চলে আসার কোন সুযোগ থাকবে না। একইভাবে উত্তর সিটির রিকশাও নির্বিচারে এই এলাকায় চলাচল করতে পারবে না।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে দেব। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমরা এই বিষয়টিকে একটি পদ্ধতির মধ্যে আনতে চাই। সেটার জন্য তো কিছুটা সময় লাগবে এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা চাই।’

তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আইন প্রণয়ন করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাঠানোর পর তা বাস্তবায়ন করা হবে।

রিকশার পাশাপাশি বাস চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের আগে যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।


তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র যাতে বাস থামাতে না পারে, যত্রতত্র যেখান সেখান থেকে যাতে যাত্রী উঠাতে না পারে-এটাও একটা সিস্টেমে আনতে হবে।’

আব্দুস সালাম বলেন, পরিবহণ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কিছু সময় দেওয়া হয়েছে এবং এখন পরিবহণ ব্যবস্থাকেও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ চলছে। আশা করি, কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা পদ্ধতির মধ্যে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

নগরীর যানজট ও অব্যবস্থাপনার জন্য শুধু প্রশাসন বা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী না করে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ারও আহ্বান জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য, সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।

এদিকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।’

মীর শাহে আলম বলেন, ‘এ নীতিমালা সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রমের ফলে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।’

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।