বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

শহিদুল আলমের প্রশংসায় ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাস

সেই অভিযানে সরাসরি যোগ দিয়ে শহিদুল আলম শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বই করেননি, বরং বিশ্বমঞ্চে মানবিকতার পক্ষে সাহসী অবস্থানও তুলে ধরেছেন।

নিউজ ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ২২:৩৩

‘গ্লোবাল সুমুদ মিডিয়া ফ্লোটিলা’-তে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়লেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী, শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম। গাজার অবরুদ্ধ মানুষদের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করে এই বহর। সেই অভিযানে সরাসরি যোগ দিয়ে শহিদুল আলম শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বই করেননি, বরং বিশ্বমঞ্চে মানবিকতার পক্ষে সাহসী অবস্থানও তুলে ধরেছেন।

ড. শহিদুল আলম দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়ের আন্দোলনে সক্রিয়। আলোকচিত্রকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকের ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ও মানবাধিকার ইস্যুকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরেছেন। তার কাজ নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট থেকে শুরু করে লন্ডনের টেট মডার্ন পর্যন্ত প্রদর্শিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি পরিচিত কণ্ঠ, যিনি নিপীড়িত মানুষের পক্ষে সবসময় দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছেন।

এই ফ্লোটিলায় অংশগ্রহণ করে তিনি শুধু মানবিক সহায়তার প্রতি সংহতি জানালেন না, বরং ইসরাইলের অবৈধ অবরোধের বিরুদ্ধে বিশ্বজনমত তৈরির অংশীদারও হলেন। কারণ, ফ্লোটিলার লক্ষ্যই হলো— গাজায় বছরের পর বছর ধরে চলমান অবরোধ ভেঙে মানবিক ত্রাণ পৌঁছানো এবং ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে আন্তর্জাতিকভাবে দাঁড়ানো।

ফিলিস্তিন দূতাবাস ড. শহিদুল আলমের এই অংশগ্রহণকে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে অভিহিত করেছে। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তার উপস্থিতি শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষদের অনুপ্রাণিত করবে। দূতাবাসের মতে, “ড. শহিদুল আলমের মতো একজন মানবাধিকারকর্মীর ফ্লোটিলায় থাকা প্রমাণ করে, ফিলিস্তিনের সংগ্রাম আর মানবতার সংগ্রাম আসলে অভিন্ন।”

ড. শহিদুল আলমের এই ঐতিহাসিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য গৌরবের এবং বিশ্ব মানবাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।