রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

জুলাই-আগস্ট বিপ্লবকে মুছে দিতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে আওয়ামী লীগ ! : রনি

আওয়ামী লীগ জুলাই-আগস্টের “গণ-অভ্যুত্থান”কে ভণ্ডুল করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বিশ্লেষণধর্মী এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য একটি ঘটনা। তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এমন গণ-অভ্যুত্থান হয়নি, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য নেতৃত্ব ছাড়াই লাখো […]

জুলাই-আগস্ট বিপ্লবকে মুছে দিতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে আওয়ামী লীগ ! : রনি

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৫, ২০:১৯

আওয়ামী লীগ জুলাই-আগস্টের “গণ-অভ্যুত্থান”কে ভণ্ডুল করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া বিশ্লেষণধর্মী এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য একটি ঘটনা।

তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এমন গণ-অভ্যুত্থান হয়নি, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য নেতৃত্ব ছাড়াই লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনব্যবস্থাকে উল্টে দিয়েছে।’

রনি বলেন, “এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারত-পাকিস্তান বা এমনকি শ্রীলঙ্কাতেও এরকম হয়নি।” তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সেই অভ্যুত্থানের পর যেসব স্বপ্ন ছিল, তা ভেঙে গেছে। “দেশে নতুন ধরনের দুর্বৃত্তায়ন শুরু হয়েছে, এমন অপরাধ বেড়েছে যা আগে ভাবা যায়নি,” মন্তব্য করেন রনি।

তার দাবি, এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর কৌশল নিয়েছে। রনি বলেন, “পরাজিত আওয়ামী লীগ এখন পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। তারা ২০২৫ সালের শুরু থেকে সংগঠন মজবুত করছে, মিছিল-মিটিং করছে, নানা বক্তব্য দিচ্ছে।

তারা বলছে শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ।” তিনি অভিযোগ করেন, “যারা কয়েক মাস লজ্জায় মুখ দেখাতে পারেনি, তারা এখন দেশের বাইরে থেকে নানা ন্যারেটিভ ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। এরকম বক্তব্য-বিশ্লেষণ তৈরি করা হচ্ছে, যা রুখে দেওয়ার ক্ষমতা বিএনপিরও নেই, সরকারেরও নেই।”

রনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামছে, তাদের প্রচারযন্ত্রও পুরোপুরি সক্রিয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রনির এই বক্তব্য আসলে চলমান রাজনৈতিক উত্তাপ এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক দ্বন্দ্বের নতুন মাত্রা তুলে ধরছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে […]

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৮

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’

তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় […]

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’


‘মাহবুবুর রহমান, কাজ করেন পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে, দুধ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। আজ রাতে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় হাতেনাতে ধরা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের হাতে।’

‘সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাকে শাহবাগ থানায় আনা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় এবং তৎক্ষণাৎ থানায় যাই। অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এ কাজ করতে গিয়েছিলেন।’

‘বাচ্চা শিশুটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। সাধারণত ধর্ষণ চেষ্টায় খুব একটা সিগ্নিফিকেন্ট প্রমাণাদি থাকে না। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে সে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটা কনক্রিট কোনো প্রমাণ না। মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

‘যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!’

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী […]

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসনামলে মির্জা আব্বাসকে অন্তত তিনবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই সরকার তাকে অন্তত ১১টি মামলায় জড়িয়েছিল, যার সবগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আব্বাস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে সেই মানুষগুলোর কাছ থেকে একবিন্দু সহানুভূতি পাননি, যারা এখন তার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছেন। এর একমাত্র কারণ হলো, কোনো এক সমীকরণে বর্তমানে তিনি তাদের শত্রুর শত্রু।

মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, তার পরিবার যে মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং তার জীবন থেকে যে মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা তাদের ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এই ক্ষতগুলো বাস্তব এবং সুবিধাবাদী কোনো সহানুভূতি দিয়ে এই ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

সম্প্রতি মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা আলোচনার সমালোচনা করে আজাদ মজুমদার বলেন, এখন কেউ কেউ ফায়দা লুটতে তার অসুস্থতার জন্য তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের কূটতর্ক কারও কোনো উপকারে আসবে না, বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের তো নয়ই।

লোক দেখানো ক্ষোভ বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার পরিবর্তে এই মুহূর্তে মির্জা আব্বাসের জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, যারা তাকে সত্যিকার অর্থে সম্মান করেন, তাদের আন্তরিক দোয়াই এখন তার প্রয়োজন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, আব্বাস ভাই।