রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

ড. ইউনূস অপরাধ কম করেনি, বুঝে করুক বা না বুঝে : এম এ আজিজ

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট এম এ আজিজ বলেছেন, ড. ইউনূস তার অ্যাকশন গুলোর ওপরে যদি ইনডেমিনিটি না নিতে পারে, সে তো ফাঁসবে। অপরাধ কম করেনি সে, বুঝে করুক বা না বুঝে। সে অপরাধ অনেক করে ফেলছে। তার সরকার আপাদমস্তক অবৈধ। একসময় না একসময় তাকে তো কাঠগড়ায় উঠতে হবে। এখন যে পরিস্থিতি, সারা দেশ উনি জিম্মি […]

ড. ইউনূস অপরাধ কম করেনি, বুঝে করুক বা না বুঝে : এম এ আজিজ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৫, ১৪:৩৮

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট এম এ আজিজ বলেছেন, ড. ইউনূস তার অ্যাকশন গুলোর ওপরে যদি ইনডেমিনিটি না নিতে পারে, সে তো ফাঁসবে। অপরাধ কম করেনি সে, বুঝে করুক বা না বুঝে। সে অপরাধ অনেক করে ফেলছে। তার সরকার আপাদমস্তক অবৈধ।

একসময় না একসময় তাকে তো কাঠগড়ায় উঠতে হবে। এখন যে পরিস্থিতি, সারা দেশ উনি জিম্মি করে ফেলছে। এখন একটা অপশন হয়েছে যদি এই লন্ডনের বৈঠক ফেল করে তাকে খুব অপমান-অপদস্থ হয়ে বাংলাদেশ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ‘মানচিত্র’ নামের এক ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনে জনগণ টাকা নিয়ে ভোট দেয়- এ বিষয়ে এম এ আজিজ বলেন, দেশের মালিক জনগণ যদি চাঁদা খেয়েও থাকে, জনগণ যদি ইলেকশনের সময় পয়সা নিয়েও থাকে, বিদেশে তিনি তো এটা বলতে পারেন না।

আমরা তো বলি না, তিনি এই দেশটাকে ব্যবসায়ী কেন্দ্র করেছেন। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৬৬ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করে নিয়েছেন। গ্রামীণফোনে ৪ হাজার কোটি টাকা মাফ করে দিয়েছেন।

জনগণ কেন খাবে না? জনগণ পয়সা খাইলে কয় পয়সা খাবে? ৫ হাজার, ১০ হাজার, ১ হাজার, পাঁচ শ, দুই শ? উনি তো হাজার হাজার কোটি টাকা খাচ্ছেন। সুতরাং উনি যে বিদেশে এই কথাগুলো বলেন- স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে।

তিনি বলন, প্রফেসর ইউনূস একটা দিন কোনো শব্দ উচ্চারণ করছে, বাবারা, তোমরা লেখাপড়াও করো, দেশ চালাও। একটাবার বলছে? অর্থাৎ এই জাতি ধ্বংস হলে তার কিছু আসবে না। সারা পৃথিবী যে তার দেশ।

বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে গেলে তার কিছু আসবে না। সে এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছিল বটে, তিনি এখন এই দেশের না। তার সারা বিশ্বে বিচরণ। তার আমেরিকার লাগবে। এই দেশে আপনার এবং আমার যে মমত্ববোধ আছে, এই দেশের প্রতি তার সেই মমত্ববোধ নাই।

যদি থাকত, তাহলে এত ব্যক্তিগত বেনিফিট সে নিতে পারত? ব্রিটেন গিয়ে উনার লোকজন তো ধাওয়া খেয়েছে। উনি অপমান ছাড়া ব্রিটেনে গিয়ে কিছু আনতে পারছেন না।

এ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়াটাই মুখ্য। আমাদের জাতি এখন নির্বাচন চায়। বৈঠকে যদি আর ক্ষমতা ধরে রাখার মত প্যাঁচ না লাগায়, তাহলে সমাধান হবে। আর প্যাঁচ লাগালে সমাধান হবে না এবং বিএনপি আন্দোলনের জন্য বাধ্য হবে এবং তাকে অবশ্যই পালাতে হবে।

তিনি আরো বলেন, তিনি আর সরকার চালাতে পারছেন না। সরকার দেউলিয়া, সরকার ফেল স্টেটের দিকে যাবে। উনি দয়া করে জাতিকে মাফ করে দিন। এত অযোগ্য লোক ভাবিনি। উনি জাতিকে মাফ করে দিক। উনি ক্ষমতায় থেকে একটা নির্বাচন দিয়ে উনি সরে পড়ুক, এ ছাড়া ওনার প্রয়োজন আর নাই।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।