শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী

আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়্যারম্যান আশিক চৌধুরীকে নিয়ে সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর সমালোচনায় পড়েন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে […]

আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:১৭

আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়্যারম্যান আশিক চৌধুরীকে নিয়ে সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর সমালোচনায় পড়েন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলে বিভিন্ন আলোচনা।

অবশেষে ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে যারা আহত হয়েছেন তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মানসুরা আলম।

প্রায় ১৪ ঘণ্টা ডিজেবল ছিল তার ফেসবুক আইডি।

স্ট্যাটাসে আশিক চৌধুরীকে অসম্মান করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না বলে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নতুন আরেক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেছেন।

ওই পোস্টে মানসুরা আলম বলেন, প্রথমত, এপোলজি দিয়ে শুরু করতে চাই, যারা আমার একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আহত হয়েছেন। গত ১৪ ঘণ্টা আইডিটি ডিজেবল থাকায় সেটা আমি করে উঠতে পারিনি।

তিনি বলেন, ড. ইউনূস সরকার বা তার পরিচালিত কোনো কাজকেই আজ পর্যন্ত একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তাচ্ছিল্য করিনি বরং অ্যাপ্রিশিয়েট করেছি বারবার। আমার বিগত অনেক অ্যাপ্রিসিয়েশন পোস্ট আপনারা দেখেছেন আশা করি।

এই দেশে কেউ কাজ করতে আসবেন, দেশের হয়ে কাজ করবেন- এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের ব্যাপার। বিশেষ করে আমরা যারা এত বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি একটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বাংলাদেশের জন্য।

আশিক চৌধুরি বা বিনিয়োগ সম্মেলনের মতো প্রজেক্ট নিয়ে আমার ন্যূনতম কোনো সমালোচনার জায়গা নেই। বরং অ্যাপ্রিসিয়েশনের জায়গা অনেক বড়।

পূর্বের পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরীকে তাচ্ছিল্য করা নয় দাবি করে তিনি বলেন, আমার সেই পোস্টের উদ্দেশ্য আশিক চৌধুরিকে অসম্মান করা ছিল না। বরং যারা আশিক চৌধুরিকে তার কাজের চেয়েও বেশি কিছু করে দেখছেন, তাকে মহাপুরুষ বানাচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ ছিল।

আমি নিশ্চিত, আশিক চৌধুরি নিজেও তেমন কিছু দেখতে চান না, তিনিও তার নিজের কাজ করে যেতে চান।

ছাত্রদলের এই নেত্রী আরো বলেন, আমরা একটা সময় সুলাইমান সুখন, আরো বিভিন্ন তথাকথিত স্মার্ট ফিগার দেখেছি ফ্যাসিস্ট আমলে। মাশরাফি, সাকিবদের নিয়ে গালভরা গল্প দেখেছি। শেষে তাদের অবস্থা কি আমরা জানি।

আমাদের মনে একটা ভয় থেকে যায়, যখন কাউকে হঠাৎ ফিগার বানাতে দেখি। আমরা এর সাফারার।

আশিক চৌধুরিসহ যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে কাজ করে যেতে চান, তাদের জন্য আমাদের শুভকামনা সব সময়। সেই সঙ্গে আশিক চৌধুরিদের ইমেজ বিল্ড করতে গিয়ে তাকে তার কাজের চেয়েও বেশি কেউ বানাবে না, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দেশে সেটাও আমাদের প্রত্যাশা।

সঙ্গে বাকস্বাধীনতা (কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বাদে) চর্চার জন্য তার সোশ্যাল লাইফে হামলে পড়াও আমার লড়াই করা ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের স্বপ্নে ছিল না। আমার বিরুদ্ধে আসা বেশির ভাগ সমালোচনা আমি দেখি না অথবা এড়িয়ে যাই। এমনকি ভয়ানক মিথ্যাচার ও তথ্যবিকৃতিও।

সবশেষে তিনি বলেন, আমার দায় ছিল শুধু আশিক চৌধুরির ব্যাপারে। এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যাচার, এডিটেড ছবি, স্ক্রিনশট- কোনো কিছু নিয়ে আমার জবাবের দায় নেই। ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব আমি দেব না।

সেসব দায় তাদের, যারা এই ঘৃণ্য বাকস্বাধীনতা চর্চা করে অন্যের স্বাধীনতা ও ত্যাগকে অস্বীকার করছেন। আপনাদের সুস্থতা কামনা করি। নিজের পরিবারের প্রতি মনোযোগ দেন। মানুষকে মানুষ মনে করেন। কেউ সমালোচনা করলেই তাকে ব্যক্তি আক্রমণ করতে হয় না, এটাও পারিবারিক শিক্ষা।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।