মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

মধ্যরাতে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমের স্ট্যাটাস

সরকার ও ছাত্রদলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অব্যাহত জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি, তীব্র লোডশেডিংসহ সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও কূটনৈতিক দুর্বলতায় জনজীবন যখন চরম বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, […]

মধ্যরাতে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৭

সরকার ও ছাত্রদলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অব্যাহত জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি, তীব্র লোডশেডিংসহ সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও কূটনৈতিক দুর্বলতায় জনজীবন যখন চরম বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি তুলে দিয়ে তাদেরকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বেপরোয়া সন্ত্রাসীরা কখনো কুপিয়ে গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে, কখনো শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে পেটাচ্ছে, কখনো ভুয়া স্ক্রিনশট বানিয়ে হত্যাচেষ্টা করছে। এমনকি সাংবাদিকরাও এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

আমরা মনে করি, এ সকল ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

একদিকে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, চাপাতি, রামদা ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি ফিরিয়ে এনে গেস্টরুম, গণরুম কায়েম করে শিক্ষার্থীদের দলদাস বানানোর তীব্র মনোবাসনা, অন্যদিকে সরকারের অব্যাহত ব্যর্থতা আড়াল করার লক্ষ্যেই এসকল ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

বিগত কয়েকদিন যাবৎ চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা তৈরি ও অস্ত্রের মহড়া আমরা দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিগত কয়েকদিন যাবৎ নানা অপতৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ভুয়া স্ক্রিনশটের আশ্রয় নিয়েছে ছাত্রদল।

যেকোনো মূল্যে সংঘাত বাঁধিয়ে শিক্ষাঙ্গণকে অস্থিতিশীল করে কারা ফায়দা নিতে চায় তা দেশের আপামর ছাত্রসমাজের কাছে আবারও স্পষ্ট হলো।

প্রথমে একটি ভুয়া স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া শুরু হয়। বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্লাটফর্ম দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিশ্চিত করে স্ক্রিনশটটি ভুয়া এবং বানানো।

জীবনের নিরাপত্তা চাইতে থানায় গেলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জনশক্তি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উবায়দুর রহমান হাসিবসহ ডাকসু ও হল সংসদের বিভিন্ন প্রতিনিধিকে শাহবাগ থানায় অবরুদ্ধ করে হামলা চালানো হয়।

মুসাদ্দিক, জুবায়ের, আলভি, সাদিক, জুমা, সালমাদের হেনস্তা ও বেধড়ক মারধর করা হয়।

কেবল তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের উপরও চড়াও হয় ছাত্রদল। এ নিয়ে দুদিনে অন্তত ১৬ সাংবাদিককে হেনস্তা করেছে তারা।

আমরা পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা কেউই কোনো রেসপন্স করেন নাই। গুজব ছড়িয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরেছি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান, দেশে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা রক্ষায় উদ্যোগী হোন। অন্যথায় ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডই নিকট ভবিষ্যতে আপনাদের দিকে ব্যাকফায়ার করবে।’

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।