বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হ্যাঁ ভোটের ডাকে সরকারে স্বস্তি

নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে গণভোট ইস্যুতে অনেকটা নীরব ছিল বিএনপি। অন্যান্য দলের পাশাপাশি জুলাই সনদে সই করলেও গণভোটে দলটির অবস্থান ভোটের প্রচারে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছিল না। গণভোট ইস্যুতে বিএনপির এই আপাত-নীরবতা ঘিরে নানা মহলে প্রশ্ন ছিল। দলটির এই অবস্থানকে একপর্যায়ে ভোটের মাঠে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। এই বাস্তবতার মুখে অবশেষে […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৪

নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকে গণভোট ইস্যুতে অনেকটা নীরব ছিল বিএনপি। অন্যান্য দলের পাশাপাশি জুলাই সনদে সই করলেও গণভোটে দলটির অবস্থান ভোটের প্রচারে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছিল না। গণভোট ইস্যুতে বিএনপির এই আপাত-নীরবতা ঘিরে নানা মহলে প্রশ্ন ছিল।

দলটির এই অবস্থানকে একপর্যায়ে ভোটের মাঠে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। এই বাস্তবতার মুখে অবশেষে বিষয়টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নীরবতা ভাঙল বিএনপি। বিএনপি অবস্থান স্পষ্ট করায় দৃশ্যত সরকারের মধ্যেও স্বস্তি এসেছে।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারের শুরুতে রাজনৈতিক দলগুলো গণভোটের ব্যাপারে তাদের অবস্থান তুলে ধরবে, এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু দেখা গেল, বিশেষত বিএনপি ও জামায়াতকে দলীয় মনোনয়ন ও আসন সমঝোতা নিয়ে বেশি সময় দিতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষে দলগুলো প্রচার শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য দল আগে থেকে (গণভোটের প্রচার) করছিল। বিএনপির প্রচারণায়ও আমরা দেখলাম যে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব সুস্পষ্টভাবে বলেছেন হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য।’

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, গণভোটের প্রশ্নে বিএনপির নীরবতা ভালোভাবে নিচ্ছিল না জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরেশোরে প্রচার চালানো অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেও এ নিয়ে একধরনের অস্বস্তি ছিল।

গত শুক্রবার রাতে রংপুরের নির্বাচনী জনসভায় স্পষ্ট ভাষায় গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রংপুরের আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের ওয়াসিমসহ হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁদের জীবন উৎসর্গকে মূল্যায়ন করতে হলে আমরা যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেই জুলাই সনদকেও আমাদের সম্মান করতে হবে।

সে জন্যই আপনাদের সকলকে অনুরোধ করব যে ধানের শীষে যেমন সিলটা দেবেন ১২ তারিখে, একই সঙ্গে আপনাদের যে দ্বিতীয় ব্যালট পেপারটি দেবে “হ্যাঁ” এবং “না”, সেখানে হ্যাঁ-এর পক্ষে দয়া করে আপনারা রায় দেবেন।’

গণভোটে হ্যাঁ রায়ের পক্ষে বিএনপির চেয়ারম্যানের দ্ব্যর্থহীন এই বক্তব্যের পর হঠাৎ করে এই অবস্থান নেওয়ার কারণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের প্রথম সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পর হ্যাঁ-এর পক্ষে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

তাঁরা বলছেন, ৫ আগস্টের আলোড়ন তোলা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচনে জুলাই ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে ভোটারদের বড় অংশ তরুণ। তাঁদের অনেকে জীবনে প্রথম ভোট দিতে যাচ্ছেন। তাই ভোটের হিসাবসহ কৌশলগত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে কিছুটা সময় নিয়ে হলেও বিএনপি বিষয়টি স্পষ্ট করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আয়নুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এ বিষয়ে বলেন, ‘বিষয়টা তো রাজনৈতিক। তাই সময় নিয়েছে বিষয়টা পরিষ্কার করতে। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। নিজেদের রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে তারা এটা স্পষ্ট করেছে…যেহেতু একটা কথা উঠেছে যে বিএনপি কেন তাদের অবস্থান পরিষ্কার করছে না। প্রতিপক্ষও যখন বারবার বিষয়টি সামনে আনছে, তখন দলের চেয়ারম্যান জনগণের সামনে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।’

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, গণভোটের প্রশ্নে বিএনপির নীরবতা ভালোভাবে নিচ্ছিল না জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী অন্য রাজনৈতিক দলগুলো। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরেশোরে প্রচার চালানো অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যেও এ নিয়ে একধরনের অস্বস্তি ছিল।

বিএনপির কর্মী-সমর্থকসহ জনমনেও এ নিয়ে সংশয় বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রতিপক্ষ বেশি করে এই নীরবতাকে বিএনপির বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছিল। নির্বাচনী সভা, প্রচারপত্র থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই ‘বিএনপি গণভোট নিয়ে দ্বিচারিতা করছে’—এমন বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

এতে নির্বাচনে দলটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয় নীতিনির্ধারকদের মধ্যে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনজনিত একটি উদ্বেগও ছিল তাঁদের। সব মিলিয়ে গণভোট ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি—এমন মূল্যায়নে পৌঁছায় বিএনপি। তাই শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।

গণভোট নিয়ে বিএনপির জনসমক্ষে অবস্থান পরিষ্কার করার ঘোষণা আসার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারেরও চেষ্টা ছিল বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। সূত্রটি বলছে, উত্তরবঙ্গ সফরের আগে গণভোটের বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের দুজন ব্যক্তি।

বৈঠকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—কোনটি জয়ী হলে কী হতে পারে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন তারেক রহমানের কাছে। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতাও চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বসেন। এর পরেই ঠিক হয়, উত্তরাঞ্চল সফরকালে রাজশাহীর জনসভায় বিএনপির পক্ষ থেকে হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট চাইবেন তারেক রহমান। তবে পরে রংপুরের জনসভায় এ ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু অবশ্য হ্যাঁ-এর পক্ষ নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল বলে দাবি করেছেন। গতকাল শনিবার আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে বিএনপির অবস্থান জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে।

বিএনপি আগে থেকেই হ্যাঁ-এর পক্ষে ছিল, যদিও তা সেভাবে প্রচারে আসেনি। দলীয় প্রধান নিজে কোনো বিষয়ে কথা বললে সেটা বেশি হাইলাইট হয়। অন্যান্য নেতা যখন বলেন, সেটা ওইভাবে হয় না। এ ক্ষেত্রে তাই-ই হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে প্রতিপক্ষের প্রচারণা ও সমালোচনা প্রসঙ্গে দুদু বলেন, ‘ফলভরা গাছে ঢিল পড়ে বেশি। বিএনপি ফলভরা গাছ। অন্য দলগুলোকে ফলভরা গাছ বলা যাবে না। সে কারণে বিএনপিকে বেশি ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং বেশি সহ্য করতে হবে। গণতন্ত্রের প্রধান শক্তি হচ্ছে বিএনপি। সহনশীলতার সঙ্গেই বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে।’

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানও কয়েক দিন আগে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ ভোটের বিষয়ে আমরা তো অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা একাধিক ব্যক্তি তখন বলেছিলেন, গণভোটের প্রচার নিয়ে দলের পক্ষ থেকে তেমন সরাসরি নির্দেশনা নেই। এখন দলীয় মার্কার পক্ষেই প্রচারকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে গণভোট নিয়ে প্রচার করলে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে করা হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৮

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭