সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতের সাথে নতুন ধারার সম্পর্ক তৈরি করতে চায় বিএনপি

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০

নানামাত্রিক চ্যালেঞ্জের বাস্তবতা স্বীকার করেও ভারতের সঙ্গে নতুন ধারার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বিএনপি। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেন। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ও আন্তর্জাতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার জানুয়ারি দশ তারিখ বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ হয়। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্ব কম নয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও প্রচারণা চলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

বৈঠকের মাধ্যমে বিএনপি পরিষ্কারভাবে বার্তা দিতে চেয়েছে যে দলটি ক্ষমতায় গেলে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং পারস্পরিক স্বার্থনির্ভর সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। বিএনপির দৃষ্টিতে, অতীতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি একতরফা নির্ভরতার দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, যা জাতীয় স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর ছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এসে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতির পথে হাঁটার কথাই তুলে ধরছে দলটি।

একই দিনে তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্ক ও মিশরের রাষ্ট্রদূতরাও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একাধিক দেশের কূটনীতিকদের এই ধারাবাহিক সাক্ষাৎকে বিএনপি নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মহলের বাড়তি আগ্রহ হিসেবে দেখছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের খবরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আগ্রহ বেড়েছে। সেই আগ্রহের ধারাবাহিকতায় ভারতের হাইকমিশনারসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা মতবিনিময় করেছেন।

হুমায়ুন কবির জানান, আলোচনায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা, কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়গুলো উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হতে পারে, তার ইঙ্গিত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তাতেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা উল্লেখ রয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এই বার্তাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ যে রয়েছে, তা অস্বীকার করেননি হুমায়ুন কবির। সীমান্ত নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে বলে তিনি জানান। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার বিষয়েই প্রণয় ভার্মার সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তিনি বলেন, এটি মূলত একটি শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ ছিল এবং খুব বেশি বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া হয়নি।

বিএনপির দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের পররাষ্ট্রনীতি জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে দলীয় ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনের কথা বলছে। এ লক্ষ্যেই ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, ভবিষ্যতেও কূটনৈতিকদের সঙ্গে এ ধরনের সৌজন্য ও মতবিনিময়মূলক বৈঠক অব্যাহত থাকবে। আরও অনেক দেশের প্রতিনিধিরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সেগুলো পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব বৈঠক ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪