বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, তবে শঙ্কিত নয় বিএনপি

দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা স্পষ্ট। এর মধ্যেই তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচনকালীন সময়ে মাঠে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বিএনপি শঙ্কিত নয় বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। তাদের দাবি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি […]

তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, তবে শঙ্কিত নয় বিএনপি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা স্পষ্ট। এর মধ্যেই তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচনকালীন সময়ে মাঠে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বিএনপি শঙ্কিত নয় বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। তাদের দাবি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

দলের শীর্ষ নেতারা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা আসন্ন নির্বাচন ও দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতিতে একটি বড় ফ্যাক্টর। তার আগমন দলকে উজ্জীবিত করবে এবং অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসনে তার উপস্থিতি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল কখনো ভাঙেনি, বরং আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিই—বাংলাদেশ ফার্স্ট। এই ধরনের নেতা দেশে ফিরছেন বলেই জনগণ অপেক্ষায় রয়েছে। তার নেতৃত্বেই আমরা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবো।”

২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে কিছু প্রশ্নও উঠছে। বিশেষ করে মায়ের গুরুতর অসুস্থতার সময় দেশে ফিরতে না পারার যে প্রতিবন্ধকতার কথা তিনি আগে উল্লেখ করেছিলেন, তা কাটলো কি না—এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রয়োজনীয় সমাধান ও সমঝোতা হয়েছে বলেই তার ফেরা সম্ভব হচ্ছে।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, তার আসার পথে যদি কোনো প্রতিবন্ধকতা থেকে থাকে, তবে সেগুলো নিয়ে ইতিবাচক বন্দোবস্ত বা সমাধান হয়েছে বলেই ধরে নেওয়া যায়।

তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে ও পরে সহিংস ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্ল্যাহ এবং ঢাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তারেক রহমানের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রটোকল নিশ্চিত করা হচ্ছে। ২৫ ডিসেম্বর তার দেশে আগমন ঘিরে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) তালেবুর রহমান বলেন, কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা তারা দেখছেন না। তিনি জানান, বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানের পরবর্তী গন্তব্য পর্যন্ত সম্ভাব্য সব রুট বিবেচনায় রেখে পূর্ণ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তারেক রহমান দেশে ফিরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে জনগণের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। পরে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের বাসায় অবস্থান করবেন। পুরো যাত্রাপথে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপির পক্ষ থেকেও তৎপরতা থাকবে। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য আলাদা চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫