শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে […]

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

একসঙ্গে পদত্যাগ মাহফুজ-আসিফের, নতুন সংকেত ডিসেম্বরের শুরুতে

নিউজ ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।


নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।


বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদেরকে ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে আখ্যা দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। ফলে এই দুই উপদেষ্টা নির্বাচনের আগে পদ ছাড়বেন কি না, সেটি এখন রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

পদত্যাগের সম্ভাবনা ও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত


অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দুই ছাত্র উপদেষ্টা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পদত্যাগ করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে দুই ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর মধ্যে মাহফুজ আলম প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন, পরে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে এনসিপি গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা নাহিদ ইসলামও উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে দলীয় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগও এখন সময়ের প্রশ্ন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজনৈতিক চাপ ও অবস্থান

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতারা ইতিমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে কিছু উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও তারা প্রকাশ্যে কারও নাম বলেননি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে ধারণা করা হচ্ছে—ইঙ্গিতটি দুই ছাত্র উপদেষ্টার দিকেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সূত্র বলছে, গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই আসিফ ও মাহফুজকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। আর মাহফুজ আলমও স্বীকার করেছেন, গত কয়েক মাস ধরে পদত্যাগের বিষয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

সম্ভাব্য আসন ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

সূত্র বলছে, আসিফ মাহমুদ হয়তো কুমিল্লা-৩ নয়, বরং ঢাকা-১০ বা ঢাকার অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করবেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, যদিও এনসিপির সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে মাহফুজ আলম লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে তিনি বিএনপি বা এনসিপি উভয় ব্যানারেই প্রার্থী হতে পারেন। তার ভাই মাহবুব আলম ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, মাহফুজ উপদেষ্টা পদ ছাড়লে রামগঞ্জ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

ছাত্র উপদেষ্টাদের ভবিষ্যৎ ও এনসিপির অবস্থান

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “যে কেউ রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে চাইলে আগে সরকারি দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “যদি দুই ছাত্র উপদেষ্টা এনসিপিতে যোগ দিতে চান, আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

দলটির মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, “এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি, তবে তারা যোগ দিতে চাইলে দলে স্বাগত জানানো হবে।”

অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন মনে করেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা ও গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক হিসেবে ছাত্র উপদেষ্টা থাকা জরুরি। তাদের পদত্যাগ সরকারের গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।”

নিরপেক্ষ নির্বাচনের বার্তা

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই আমি পদত্যাগ করব। রাজনীতিতে সক্রিয় কেউ নির্বাচনী সরকারের দায়িত্বে থাকা উচিত নয়। এতে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এজন্য সকল রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ব্যক্তির তফসিলের আগে পদত্যাগ করা উচিত।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৮

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৮

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৮

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৮