মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে গণপ্রতারণা হবে : নাহিদ

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে তা ‘গণপ্রতারণা ও জাতির সঙ্গে প্রহসন’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘প্রতীক নন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কোনো সাংবিধানিক আদেশ জনগণের কাছে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসই কেবল জুলাই সনদকে […]

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে গণপ্রতারণা হবে : নাহিদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৪৪

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে তা ‘গণপ্রতারণা ও জাতির সঙ্গে প্রহসন’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ‘প্রতীক নন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কোনো সাংবিধানিক আদেশ জনগণের কাছে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসই কেবল জুলাই সনদকে আইনি বৈধতা দিতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ আইনি ভিত্তি না পেলে এটি কেবল আনুষ্ঠানিকতা, এটি গণপ্রতারণা ও জাতির সঙ্গে প্রহসন হবে। সংবিধান পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেবল ঐকমত্য নয়, সাংবিধানিক বৈধতা অপরিহার্য। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে, জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। তবেই এই উদ্যোগ অর্থবহ হবে, নইলে এটি গণপ্রতারণা হিসেবেই বিবেচিত হবে।

’তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট থেকে কোনো সাংবিধানিক আদেশ এলে তা জনগণের কাছে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। এই সনদকে আইনি বৈধতা দিতে পারেন কেবল সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র জনতার আহ্বানে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।’

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা চাই না ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের মতো আবারও জনগণের আকাক্সক্ষাকে প্রতারিত করা হোক। এই সংস্কারের মধ্য দিয়েই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’

এনসিপির অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমরা অনুষ্ঠানে যাইনি, কারণ আমাদের অবস্থান অন্য দলগুলোর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের লড়াই শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয় এটা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কাঠামোর বিরুদ্ধে একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন।’

ঐকমত্য কমিশন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা কমিশনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করি, কিন্তু তারা অনেক সময় দৃঢ় অবস্থান নিতে পারেননি। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অসমাপ্ত রয়ে গেছে।’

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে নির্বাচনি প্রতীক নিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। শাপলা প্রতীক নিয়ে আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা দিলে আমরা রাজপথে নামতে বাধ্য হব। ইসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান তারা আইনি ব্যাখ্যা না দিয়ে ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।’

সালাহউদ্দিন আহমদকে ক্ষমা চাইতে হবে ॥ ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ নিয়ে বক্তব্যের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন সাহেব (সালাহউদ্দিন আহমদ) উনি শুক্রবারের ঘটনায় জুলাই যোদ্ধা, যারা পুলিশের হামলায় আহত হয়েছে, তাদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অনুসারী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ তিনি ভুলবশত, হয়তো তাঁর কাছে তথ্য না থাকার কারণে এ রকমটা বলেছেন। যেহেতু তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না। যেহেতু তিনি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় দেশে ছিলেন না, রাজপথে ছিলেন না। সেহেতু হয়তো তিনি জানেন না যে কে রাজপথে ছিল, কারা লড়াই করেছিল, কারা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল?’

পুলিশের হামলায় আহত ব্যক্তিদের জুলাই আন্দোলনে সক্রিয়তার কথা তুলে ধরে নাহিদ বলেন, ‘আতিকুল গাজী (আতিকুল ইসলাম) যার হাত কাটা গিয়েছে, তাকে যখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বলা হয়, যখন শহীদ মীর মুগ্ধের বাবাকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বলা হয়, ইয়ামিনের বাবাকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বলা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের, খুবই বেদনাদায়ক।

’এছাড়া সংবাদ সম্মেলন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হওয়া, শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ এবং ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্তে অস্পষ্টতা এই তিনটি কারণ দেখিয়ে সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫