রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হাসিনার জন্য আরও একটি তাজমহল নির্মাণ করুন: ভারতকে রিজভী

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা পালানোয় মায়া হচ্ছে ভারতের। যদি এতই মায়া, এতই দুঃখ হয়, তাহলে হাসিনার জন্য আর একটি তাজমহল নির্মাণ করে দিন। রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের চতুর্থ আসরে প্রধান অতিথির […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৪, ১৯:৪৬

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা পালানোয় মায়া হচ্ছে ভারতের। যদি এতই মায়া, এতই দুঃখ হয়, তাহলে হাসিনার জন্য আর একটি তাজমহল নির্মাণ করে দিন।

রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের চতুর্থ আসরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রতিদিন ভারতের মিডিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। একটা স্বাধীন দেশ নিয়ে তারা কীভাবে এত অপ্রচার করে? আমরা হিন্দু-মুসলিম যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করছি। সেই সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বাধীন বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার চালাবেন না। আপনারা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছেন। এটা করবেন না, বন্ধ করুন ষড়যন্ত্র।

জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে রিজভী বলেন, যুদ্ধের ময়দানে অদম্য সাহসিকতার প্রতীক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ৭ নভেম্বর ভয়ঙ্কর কালো প্রতীকে জনগণ ও সিপাহীরা তাকে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। সেই থেকে আমরা কৃষকের মাঠে জিয়ার হাসি, শিল্পীর কালি মাখামুখেও জিয়ার হাসি দেখতে পাই। কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে জিয়ার চেষ্টা আমরা দেখেছি। কারখানার উৎপাদনে, স্বাধীনতায় জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য। যা মুখে বলে শেষ করা যাবে না। সবখানেই কিংবদন্তির মতো বিচরণ করে গেছেন জিয়াউর রহমান।

রিজভী আরও বলেন, উন্নয়নের নামে মেগা প্রকল্প দেখিয়ে ডলার পাচার করেননি জিয়া। আওয়ামী নেতারা মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্পের নাম করে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে পাচার করেছেন। একজন এমপির কত আয়? আওয়ামী লীগের একজন এমপির ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড অর্থের অসংখ্য বাড়ি লন্ডনে। এরা অবৈধভাবে বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকেছে সাড়ে ১৫ বছর। পাচার করেছে হাজার হাজার কোটি টাকা।

শেখ হাসিনার ভোট ও ক্ষমতায় থাকার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আমাকে তুমি ক্ষমতায় রাখ, আর তোমরা যা ইচ্ছে করো, এটা হাসিনা বলতেন। পুলিশের একজন আইজির বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ। আমাদের কাছে ঋণ আসে ১৮ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। আর সেই ঋণের ১৭ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে আওয়ামী লীগ। এটা শেখ হাসিনার অবদান।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অপতথ্য দিয়ে কুৎসা রটিয়েছেন। জিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছেন। কই আপনি তো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। ভুলেও একটা বের করতে পারেননি। বরং আপনি পালিয়ে গেছেন, খালেদা জিয়া তো পালাননি। দুর্বিষহ দুঃশাসনকে তিনি বরণ করেছেন। ভাঙা ভাঙা একটা বিল্ডিংয়ে দুই বছর তাকে (খালেদা জিয়া) আটকে রেখেছেন। তিনি তো পালাননি। আওয়ামী লীগ দুর্বৃত্তের দল। এটাই বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পার্থক্য।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক লোপাট হয়, সোনালী ব্যাংক লোপাট হয়। এটা হচ্ছে হাসিনার অবদান। বিনা ভোটের মেয়র আতিক সিটি করপোরেশনে পদ তৈরি করেন, নাম রাখা হয় হিট অফিসার। সেই পদে নিয়োগ পেলেন তারই মেয়ে আর বেতন দিলেন লক্ষাধিক টাকা। সেই অফিসারের স্বামী সুপার হিরো, একশত কোটি টাকার মালিক। আওয়ামী লীগের দুর্নীতি আর হাসিনার অপকর্ম আরব্য উপন্যাসকেও হার মানাবে।

ছোট বাচ্চা ছেলেরা রক্ত দিয়েছে। দুই হাজারের মতো তরুণকে আওয়ামী লীগ হত্যা করেছে। আমরা যুদ্ধ সংগ্রাম করে একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তারুণ্যের সেই অবদান, রংপুরের মেধাবী ছাত্র আবু সাইদের আত্মত্যাগ জাতি কখনও ভুলবে না। ভারতের দুঃখ শেখ হাসিনা পালিয়েছে। হরিলুটতন্ত্র, পাচারতন্ত্রকে আবার কি করে ক্ষমতায় বসানো যায়, সেই চক্রান্তে মেতেছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এটা রুখতে অন্তর্বর্তী সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে, যোগ করেন রিজভী।

এসময় বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম রফিক, রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামছুজ্জামান সামু, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক একেএম মমিনুল হকসহ রংপুর বিভাগের বিএনপির ১০টি সংগঠনিক জেলার নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

লালমনিরহাট জেলা বিএনপি আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে রংপুর বিভাগের ১০টি সাংগঠনিক জেলা বিএনপির দল অংশ নিচ্ছে। এ টুর্নামেন্টের প্রতিটি আসরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০