বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কলকাতায় বসে চালাচ্ছেন বরিশালের ব্যবসা, আ.লীগ নেতার লাইসেন্সে ভারতে যাচ্ছে ইলিশ!

৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:১৩

বরিশালের পোর্ট রোডে বহুদিন ধরেই অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ছায়া চলে আসছিল। এবার সেই অন্ধকারেই যেন আরও হট্টগোল বাড়ল—আবিষ্কার হলো, আওয়ামী লীগ নেতা নিরব হোসেন টুটুল চারটি লাইসেন্সে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের আভাস অনুযায়ী, ইতোমধ্যে টুটুলের লাইসেন্সে কলকাতায় গিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। এমন তথ্য শুনে বাজার-অবস্থা আর রাজনীতি দুইটাই উত্তাল।

টুটুল সম্পর্কে বরিশালে প্রচারিত কাহিনী তো নতুন কিছু নয়। সাদিক আবদুল্লাহর সময় বরিশালের দ্বিতীয় মেয়র হিসেবেই পরিচিত টুটুল ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক। সাদিক আবদুল্লাহর নিকটস্থ সহচরী হিসেবে তার ভূমিকা গুরুতর ছিল—নগর জীবনের হাট, বাজার, বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কেমন করে নিয়ন্ত্রণ ছিল, তা সমালোচকরা বারবার উচ্চারণ করে এসেছে। কুয়াকাটা সফরে পায়ে আঘাত লাগার পরও তিনি বরিশালের অনেক জায়গায় দাপট বজায় রেখেছেন, এক পায়ে চললেও টুটুলের প্রভাব কমেনি। আর আজ তার আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে মৎস্য ব্যবসাকেই চিহ্নিত করছেন অনেকে।

বিষয়টি আরও গরম হয়েছে কারণ সরকারি তালিকায় টুটুলের চারটি প্রতিষ্ঠানের নাম আছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, তানিসা এন্টারপ্রাইজ, নাহিয়ান এন্টারপ্রাইজ এবং এআর এন্টারপ্রাইজ। মাহিমা ও তানিসা নামের দুইটি লাইসেন্স টুটুলের দুই মেয়ের নামে করা হয়েছে। বাকি দুটি লাইসেন্সে নাম রয়েছে তার ছোট মামা বাবর ও মামাতো ভাই আকাশের নামে। ২০১৯ সালে পূজার সময় থেকে শুরু হওয়া ইলিশ রপ্তানির প্রক্রিয়ায় টুটুল নিয়মিতভাবে অংশ নিচ্ছেন বলে চলছে সমালোচনা।

সরকারি নিয়ম মেনে এ বছর একটি লাইসেন্সের বিপরীতে ২০ থেকে ৫০ টন পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি করার শর্ত থাকলেও, ৪টি লাইসেন্স হাতে নিয়ে টুটুলের মোট রফতানি ক্ষমতা প্রায় দুইশ টন পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে—যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বেনাপোল স্থলবন্দরের মৎস্য কোয়ারেন্টিন বিভাগের কর্মকর্তা আকসাদুল ইসলামও নিশ্চিত করেছেন, তানিসা এন্টারপ্রাইজ বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৩৬০ কেজি ইলিশ পাঠিয়েছে ভারতে। আর সূত্র বলছে, শুরু হওয়া রপ্তানির মাত্র দুই দিনে ওই প্রতিষ্ঠান পাঠিয়েছে প্রায় দুই হাজার কেজি ইলিশ। তাতেই বোঝা যায়, কৌশল করে নেওয়া লাইসেন্সকে কার্যকর রপ্তানিতে পরিণত করা হয়েছে।

স্থানীয় আড়তদারদের অভিযোগও তুঙ্গে। তারা বলছেন, টুটুল নিতান্তই রপ্তানির পেছনেই বসে নেই—মোকামে যারা ব্যবসা করছে, তারা সকলে তার লোকজনের মাধ্যমে মাছ সংগ্রহ করছে। পোর্ট রোডের মোকাম এখনো টুটুলের ছায়ায় চলছে—আড়তদাররা বলেন, ৫ আগস্টের আগের মতোই মোড়ে এলসি সাইজের ইলিশগুলো টুটুলের লোকজনই ক্রয় করছে। এমনকি উঠে এসেছে অভিযোগ, টুটুলের পক্ষে কাজ করছেন বিএনপির প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা, আর বিনিময়ে তাদের সু-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের বরিশাল মহানগর কমিটির সদস্য সচিব কামাল সিকদার এই মোকাম “সবাওলে আমার একা কাজের স্থান নয়” বলে বিবৃতি দিয়েছেন এবং বলেছেন, ইলিশ রপ্তানির অনুমতি সরকারি হওয়ায় সে আইনগত বাধা তিনি দিতে পারেন না।

তবে আড়ত-মহল আর সাধারণ মানুষের বক্তব্যের মধ্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এক তত্ত্ব ঘুরছে—যদি স্থানীয় সরকার বা সংস্থাগত কর্তারা চাইলেই টুটুলের ব্যবসা বন্ধ করতে পারতেন, কেন তা হয়নি? সেখানে তিনটা প্রশ্ন উঠে আসে সুস্পষ্টভাবে—এক হলো লাইসেন্স কেন এমনভাবে আসে যে একই ব্যক্তির ঘনিষ্ঠজনের নামে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হলো, দুই হলো ৫ আগস্টের পর টুটুল ভারতে পালিয়ে গেলেও কিভাবে রহস্যজনকভাবে মুক্তি পেয়ে আবার ব্যবসা চালাতে সক্ষম হলেন, তিন হলো স্থানীয় শক্তি-সংযুক্তরা কেন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিল না। এসব প্রশ্ন এখনও অনায়াসে থেকে যাচ্ছে।

টুটুলের বিরুদ্ধে বরিশালে ইতিমধ্যেই ৭টি মামলা হয়ে গেছে বলে জানা যায়। ৫ আগস্টের পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর থেকে ধরা পড়ে তিনি, পরে রহস্যজনকভাবে ছাড়া পেয়ে কলকাতায় চলে যান এবং সেখান থেকেই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করছেন—এসব বিষয়ের পেছনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে বলে অনুসন্ধানে দেখা যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোকামের সভাপতি-সম্পাদক পদে যারা বসে আছেন, তারা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতা; তাদের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় টুটুলের ব্যবসা বন্ধ না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কথা বলা হয়েছে কলকাতায় অবস্থানরত নিরব হোসেন টুটুলের ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে, কিন্তু প্রতিউত্তর মেলেনি। বরিশালের পোর্ট রোড থেকে শুরু করে ইলিশ রফতানি শৃঙ্খলে যে আঁধার টানা পড়েছে, সেটি শুধুই একটি ব্যক্তির নয়—এখানে জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক চক্র, ব্যবসায়িক ঘনিষ্ঠতা এবং সরকারি অনুমোদনের লঙ্ঘন। জনগণ এরইমধ্যে প্রশ্ন তুলছে—কতটা স্বচ্ছ এবং কতটা ন্যায্যভাবে দেশের সম্পদ নিয়ে এই ধরনের লেনদেন চলবে?

এ বেলায় মৎস্যসম্পদ রপ্তানি ও স্থানীয় নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সরকারের জবাবদিহিতা অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। প্রশ্নগুলো যতদিনই অজানা থাকবে, ততদিনই প্রহসনের মতো এই বাজার-রাজনীতি জনদুর্ভোগ বাড়াবে এবং বরিশালের নাম কোনোভাবেই পরিষ্কার থাকবে না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৯০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৯০