বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম […]

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ১২:১৮

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম করেছি।

বিএনপি কখনো আপোষ করেনি বা রণে ভঙ্গ দেয়নি। আমরা ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান চেয়েছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “গণঅভ্যুত্থানই হলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঠিক পথ। জুলাই মাসে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। এক দফা দাবি ছিল—হাসিনাকে যেতে হবে।

শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, কিন্তু এই শিক্ষার্থীরা সেই দিনই পাওয়া যায়নি, যেদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি, কারণ আমরা একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং এটাই আমাদের দায়িত্ব ছিল। আমরা জাতির জন্য করুণা করিনি, দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র।”

রবিউল আলম বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ও অর্থের প্রভাব নিয়ে বলেন, “৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি শুধু আন্দোলন, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর ফলে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তদের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চা করতে পারিনি।

১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আমরা একটি গণতান্ত্রিক ট্র্যাকে ছিলাম, কিন্তু আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৭ বছর অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে, যা বাংলাদেশের রাজনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।”

তিনি মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, কিন্তু কিছু মিডিয়া বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চালাচ্ছে। যেমন, বিএনপি নেতার ড্রাইভার কোনো অপরাধ করলে তা বিএনপি নেতার সাথে জড়িত বলে চালানো হচ্ছে।

এটা সম্পূর্ণ অন্যায়। ড্রাইভার যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী, দল বা নেতার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এভাবে দল ও নেতাকে ট্যাগ করা উচিত নয়।”

রবিউল আলম বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়নের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে বিএনপি নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে, তাদের সম্পদ দখল করা হয়েছে। তারা উদ্বাস্তুর মতো জীবনযাপন করছে।

যখন তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চেষ্টা করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে দখলদারিত্বের অভিযোগ তোলা হয়। এটা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থাকবেই, কিন্তু কোনো দলই অপরাধকে সমর্থন করে না। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অপরাধকে প্রশ্রয় না দেওয়া।”

শেষে তিনি নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও জনসমর্থন নিয়ে বলেন, “নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও আঙ্গিক প্রয়োজন। গতানুগতিক ধারায় রাজনীতি করলে জনগণের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা অর্থায়ন করেন, তাদের উচিত প্রকাশ্যে দলকে সমর্থন করা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মতো নতুন দলগুলো যদি জনগণের সমর্থন পায়, তবে তারা নির্বাচিত হবে এবং নতুন কিছু করতে সক্ষম হবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১