বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম […]

১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি, এই শিক্ষার্থীদের সেদিন পাওয়া যায় নি : রবিউল

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২১ মার্চ ২০২৫, ১২:১৮

বিএনপি নেতা রবিউল আলম সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে অংশ নিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে আমরা আন্দোলন করেছি, ৩৪টি ঈদ আমরা রাজপথে বা কারাগারে কাটিয়েছি। আমরা ছাত্রলীগ বা জামাতের সাথে যুক্ত ছিলাম না, বরং বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে সংগ্রাম করেছি।

বিএনপি কখনো আপোষ করেনি বা রণে ভঙ্গ দেয়নি। আমরা ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি, শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান চেয়েছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “গণঅভ্যুত্থানই হলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঠিক পথ। জুলাই মাসে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। এক দফা দাবি ছিল—হাসিনাকে যেতে হবে।

শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, কিন্তু এই শিক্ষার্থীরা সেই দিনই পাওয়া যায়নি, যেদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি, কারণ আমরা একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং এটাই আমাদের দায়িত্ব ছিল। আমরা জাতির জন্য করুণা করিনি, দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র।”

রবিউল আলম বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন ও অর্থের প্রভাব নিয়ে বলেন, “৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি শুধু আন্দোলন, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর ফলে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তদের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চা করতে পারিনি।

১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আমরা একটি গণতান্ত্রিক ট্র্যাকে ছিলাম, কিন্তু আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৭ বছর অনির্বাচিতভাবে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছে, যা বাংলাদেশের রাজনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।”

তিনি মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, কিন্তু কিছু মিডিয়া বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চালাচ্ছে। যেমন, বিএনপি নেতার ড্রাইভার কোনো অপরাধ করলে তা বিএনপি নেতার সাথে জড়িত বলে চালানো হচ্ছে।

এটা সম্পূর্ণ অন্যায়। ড্রাইভার যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী, দল বা নেতার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এভাবে দল ও নেতাকে ট্যাগ করা উচিত নয়।”

রবিউল আলম বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়নের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “১৭ বছর ধরে বিএনপি নেতাকর্মীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে, তাদের সম্পদ দখল করা হয়েছে। তারা উদ্বাস্তুর মতো জীবনযাপন করছে।

যখন তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চেষ্টা করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে দখলদারিত্বের অভিযোগ তোলা হয়। এটা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থাকবেই, কিন্তু কোনো দলই অপরাধকে সমর্থন করে না। অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অপরাধকে প্রশ্রয় না দেওয়া।”

শেষে তিনি নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও জনসমর্থন নিয়ে বলেন, “নতুন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও আঙ্গিক প্রয়োজন। গতানুগতিক ধারায় রাজনীতি করলে জনগণের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা অর্থায়ন করেন, তাদের উচিত প্রকাশ্যে দলকে সমর্থন করা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মতো নতুন দলগুলো যদি জনগণের সমর্থন পায়, তবে তারা নির্বাচিত হবে এবং নতুন কিছু করতে সক্ষম হবে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৬

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪