মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগের সঙ্গে জোট, শরিকরা দুঃখ প্রকাশ করে ফিরতে চায় রাজনীতিতে

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র ১৪ দলের শরিকরা অবশেষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্কের দায় আর বহন করতে চান না তারা। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনামল, দুর্নীতি, লুটপাট, দমন-পীড়ন এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যার দায়ভার থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে চাইছেন এই জোটের বেশিরভাগ দল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে পথচলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ […]

আ. লীগের সঙ্গে জোট,  শরিকরা দুঃখ প্রকাশ করে ফিরতে চায় রাজনীতিতে

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৫, ১০:১৪

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র ১৪ দলের শরিকরা অবশেষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্কের দায় আর বহন করতে চান না তারা। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনামল, দুর্নীতি, লুটপাট, দমন-পীড়ন এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যার দায়ভার থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে চাইছেন এই জোটের বেশিরভাগ দল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে পথচলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রমে ফিরতে চান।

১৪ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, তারা কেবল জোটের শরিক ছিলেন এবং তাদের দলগুলোর হাতে বাস্তবিক কোনো ক্ষমতা ছিল না। তারা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিলেন না, বরং আওয়ামী লীগ একক আধিপত্যে দেশ শাসন করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীতের জোটসঙ্গী হওয়ার কারণে জনগণের মধ্যে তারা এখন সন্দেহের দৃষ্টিতে পড়েছেন, যা তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা, বহু মন্ত্রী-এমপি গ্রেপ্তার হন, কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে যান। দেশের নানা জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জনরোষের শিকার হয়। দলটির বেশিরভাগ নেতাকর্মী এখনো আত্মগোপনে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতনের সঙ্গে সঙ্গে ১৪ দলের শরিকরাও সংকটে পড়েছেন।

বিশেষ করে, ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ১৪ দলের বেশ কিছু নেতা এখন জেলবন্দি। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু সরাসরি জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে আছেন। এদিকে, গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি ১৪ দলেরও নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে, যা শরিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

তবে ১৪ দলের বেশ কয়েকটি দল নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় নড়েচড়ে বসেছে। ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদ সীমিত পরিসরে ঘরোয়া বৈঠক, আলোচনা সভা এবং বিবৃতির মাধ্যমে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছে। গণতন্ত্রী পার্টির একটি অংশ জাতীয় দিবসগুলোতে কিছু কর্মসূচি পালন করছে, তরীকত ফেডারেশন মাঝে মাঝে বিবৃতি দিয়ে নিজেদের জানান দিচ্ছে, আর বাসদ (রেজাউর) জেলা ও উপজেলা সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তবে বাকি শরিক দলগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। জাতীয় পার্টি (জেপি), ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি এবং গণতন্ত্রী পার্টির (শাহাদাৎ) কোনো কার্যক্রমই দৃশ্যমান নয়। তারা প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেও ভয় পাচ্ছে। তবে টেলিফোন ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নেতারা নিজেদের ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

১৪ দলের কিছু সিনিয়র নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীত জোটসঙ্গী হওয়ার জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা বলেন, “আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকা আমাদের জন্য এখন অভিশাপ হয়ে গেছে। আমরা জোটের নামে শুধু নাম লিখিয়েছিলাম, কিন্তু ক্ষমতায় কোনো অংশীদারিত্ব পাইনি। এখন সেই পুরনো সম্পর্ক আমাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের কারণে আমাদেরও রাজনীতির মাঠ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।”

গণতন্ত্রী পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছে, দুর্নীতি করেছে, আমরা এসবের অংশ ছিলাম না। সুতরাং, আওয়ামী লীগের অপকর্মের দায় আমরা নেব না।”

বাসদের (রেজাউর) আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান বলেন, “গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ যে নৃশংসতা ও দুর্নীতি করেছে, তার দায়ভার তারা নিজেদেরই নিতে হবে। ১৪ দলের শরিকরা এতে দায়ী নয়। তারপরও, আমরা অতীতের এই রাজনৈতিক সঙ্গের জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে চাই এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরে যেতে চাই।”

১৪ দলের অন্য শরিক দলগুলোর মধ্যেও একই ধরনের সুর শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর শরিক দলগুলোর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অনেকেই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছেন, কেউ কেউ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করে রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। তবে একথা নিশ্চিত, ক্ষমতা ভাগাভাগির রাজনীতি শেষ হয়েছে এবং নতুন বাস্তবতায় ১৪ দলের শরিকরা এখন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৯৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩১১