সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ক্যাম্পাসে ‘রাজনীতি’ বন্ধ হলে সমন্বয়করা কি কার্যক্রম চালাতে পারবেন?

ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘দলীয় রাজনীতি’ বন্ধ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট যে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি নিয়ে এখন নানা আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের দলীয় রাজনীতি বন্ধ থাকবে। শুধু ছাত্ররা নয়, শিক্ষক-কর্মচারীরাও দলীয় রাজনীতি করতে পারবেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট […]

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৩:৪৩

ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘দলীয় রাজনীতি’ বন্ধ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট যে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি নিয়ে এখন নানা আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের দলীয় রাজনীতি বন্ধ থাকবে। শুধু ছাত্ররা নয়, শিক্ষক-কর্মচারীরাও দলীয় রাজনীতি করতে পারবেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যরা বিষয়টিকে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বর্ণনা করছেন।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক আবু হোসেন মুহম্মদ আহসান জানিয়েছেন, পরবর্তীতে একটি কমিটি করে সবার সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি না এ প্রশ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। এখন নতুন করে সিন্ডিকেট বৈঠকের ওই সিদ্ধান্ত এই আলোচনাকে আরো উস্কে দিয়েছে।
কিন্তু সব ধরনের ‘দলীয় রাজনীতি বন্ধ’ বলতে আসলে এখানে কী কী বোঝানো হয়েছে? এর মানে কি ক্যাম্পাসে কোনো মিছিল-মিটিং-সমাবেশ হবে না? ক্যাম্পাসে দলগুলোর নামে কোনো ছাত্র সংগঠন থাকতে পারবে না? নাকি তারা হলে কাজ করতে পারবে না? এর প্রয়োগ কিভাবে হবে? আর দলীয় রাজনীতি যদি বন্ধ হয়েই যায়, তাহলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়করা তাদের ক্যাম্পাসভিত্তিক কার্যক্রম বহাল রাখতে পারবে কি? পারলেও তা কোন হিসাবে?
এসব বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু আলাপ-আলোচনা বাকি আছে।
তাই এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। ঘোষণা দিলে বিস্তারিত বলতে পারবো। দুই একদিনের মাঝে জানতে পারবেন।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় থেকে সমন্বয়করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ করে আসছে।
এমনকি, তাদের অনেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যও দিচ্ছেন। তাই, সমন্বয়কদের ব্যাপারে আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে কি না বা তাদের কর্মসূচিগুলোকে কোন আঙ্গিকে দেখা হবে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি সাইফুদ্দিন আহমেদ।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডেকেট ‘রাজনীতি বন্ধ বলতে আসলে কী বোঝাতে চেয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার না’ তার কাছে। তিনি প্রশ্ন করেছেন, এই ‘রাজনীতি বন্ধ’ তত্ত্বের মানে কী? সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত লিখিত আকারে দেখার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি তিনি। বিষয়টি সম্বন্ধে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদের যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু হোসেন মুহম্মদ আহসান বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত যেসকল দল আছে, তার “লেজুড়ভিত্তিক সংগঠনগুলোর রাজনীতি আপাতত বন্ধ” থাকবে। এটাই আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের আলোচনায় মিছিল-মিটিং ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়নি। যদিও বন্ধ থাকা মানে কিন্তু এগুলোই বোঝায়। শনিবার সিন্ডিকেট থেকে একটি প্রজ্ঞাপন বের হবে। সেখানে সব থাকবে। বৃহস্পতিবারের সভায় এ কথা বলা হয়নি যে ক্যাম্পাসে সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ। বিভিন্ন ফোরামে যারা ছাত্র শিক্ষক দাঁড়াচ্ছেন, এগুলোকে নিষিদ্ধ বা বন্ধ করার মতো কোনো আলোচনা কাল হয়নি। বরং বলা হয়েছে, দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ।’
সমন্বয়কদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়নি জনিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমি যেটা বলতে পারি– তারাও যদি রাজনৈতিক দল গঠন করে, তাদের কর্মকাণ্ডও বন্ধ করার কথা। কোনো দল গঠন না করার পর্যন্ত তারা তাদের কর্মকাণ্ড চলমান রাখতে পারবে।’
জানা যায়, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা যে ৯ দফা দিয়েছিলেন, সেগুলোর মধ্যে একটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দলীয় লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদারকে সিন্ডিকেট সভার ওই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু অনেক রাতে এই সিদ্ধান্ত এসেছে, তাই আমরা এনিয়ে আলোচনা করতে পারিনি। তবে আমি যতদূর জানি, যদি এরকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়ও, তাহলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনো কর্মসূচি করবে না।’
এ প্রসঙ্গে আরেক সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ বলেন, ‘আমরা ছাত্র রাজনীতি বন্ধের কথা বলছি না, দলীয় লেজুরভিত্তিক ছাত্র রাজনিতির বন্ধের কথা বলছি।’
তারা একটি পলিটিক্যালি কনশাস জেনারেশন (রাজনৈতিকভাবে সচেতন প্রজন্ম) চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কেউ যদি রাজনীতি করতে চায়, তাহলে পার্টি অফিসে গিয়ে করবে। ক্যাম্পাসের ভিতরে চলবে না। ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদভিত্তিক রাজনীতি থাকবে।’
এ বিষয়গুলো নিয়ে জানতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিলো। কিন্তু তাদেরকে পাওয়া যায়নি। তবে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্তের খবর সম্মুখে আসার পর সারজিস আলম গতকাল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, ‘নতুন এক বাংলাদেশ সৃষ্টির অগ্রযাত্রা শুরু হোক আজ থেকে…।’
সমন্বয়কদের সাথে অন্যদের পার্থক্য :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলামের দৃষ্টিতে ‘সমন্বয়করা যা করছেন, সেটা রাজনীতি-ই করছেন। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের সাথে তাদের কিছু “সূক্ষ্ম পার্থক্য” রয়েছে। অন্যদের সাথে ওরা যে পার্থক্য তৈরি করছে, তা হল ওরা কোনো রাজনৈতিক দলের অংশ হিসাবে এটা করছে না। এই পয়েন্ট অব ভিউ থেকে তারা শিক্ষার্থীদের পক্ষ হয়ে এই মিছিল-মিটিং যা কিছু করছে, তা অ্যালাউড হচ্ছে।’
তবে তিনি মনে করেন যে সম্বয়করা যেভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি করছেন, তা অন্যরাও করতে পারবে চাইলে। তিনি বলেন, ‘ধরা যাক, ছাত্রদল কাল থেকে বললো যে আমরা ছাত্রদল, কিন্তু বিএনপির সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা তো স্বাধীনভাবে করছি। এটা বলার সাথে সাথে বৈষম্যবিরোধী যে ছাত্র সংগঠন, তাদের সাথে ওদের কোনো পার্থক্য থাকবে না। ওরা যা করছে, ছাত্রদলও তখন তা করতে পারবে।’
সিন্ডিকেট সভা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ওরা হয়তো বোঝাতে চেয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সম্পর্কযুক্ত কোনো সংগঠন, শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী তাদের ব্যানারে কোনো কার্যক্রম করতে পারবে না। তাই, এখানে ‘রাজনীতি বন্ধ’ কথাটা বলার কোনো মানে নেই। জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় দলসমূহের সমর্থনে সম্পর্কযুক্ত কোনো সংগঠনের কার্যক্রম করা নিষেধ। এরকম কিছু বললে অর্থবহ। অন্যথায় এটা কিছু মিন করে না।’
রাজনীতি বন্ধ করার প্রয়োজন কেন :
বিশ্বের অন্যান্য দেশেও ছাত্র রাজনীতি থাকলেও বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে তার তফাৎ আছে জানিয়ে অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াং ডেমোক্রেটস, স্টুডেন্ট ডেমোক্রেটস আছে। রিপাবলিকানদেরও আছে। ক্যাম্পাসে তারা ক্যাম্প করে, চ্যারিটি করে। ইলেকশনের সময় ক্যাম্পেইন করে। ভলান্টিয়ার হয়। এটা ইংল্যান্ড, এমনকি ভারতেও আছে। থাইল্যান্ডেও আছে।
তিনি মনে করেন, সমস্যা ছাত্র রাজনীতিতে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানের ছাত্র সংগঠনগুলো বহু বছর ধরে একসাথে থেকেছে। ক্যাম্পাসে রাজনীতি করেছে, অসুবিধা হয়নি। সমস্যা তখনই হয়েছে, যখন জাতীয় রাজনীতি নষ্ট হয়ে গেছে। তারা ছাত্র সংগঠনগুলোকে ব্যবহার না করলে তো কোনো ক্ষতি ছিল না, তাদের সমস্যা তো রাজনৈতিক দলে। ছাত্র সংগঠনে না। পার্থক্য হল অন্যদেশে সেইভাবে ব্যবহার করে না, আমাদের দেশে সেটা করে।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৮