মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সরাসরি হাসিনার নির্দেশেই সাত খুনের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয় শামিম ওসমানকে

শীতলক্ষা নদীতে একের পর এক মৃতদেহ ভেসে ওঠার দৃশ্য নারায়ণগঞ্জের আকাশ ভারী করে তুলেছিল স্বজনদের আর্তনাদ ও কান্নার ধ্বনিতে। নদীর পাড়ে অপেক্ষমাণ মানুষদের সামনে একে একে সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা দেখে স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল আওয়ামী লীগের দোসররা। নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত এই […]

সরাসরি হাসিনার নির্দেশেই সাত খুনের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয় শামিম ওসমানকে

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:২৬

শীতলক্ষা নদীতে একের পর এক মৃতদেহ ভেসে ওঠার দৃশ্য নারায়ণগঞ্জের আকাশ ভারী করে তুলেছিল স্বজনদের আর্তনাদ ও কান্নার ধ্বনিতে। নদীর পাড়ে অপেক্ষমাণ মানুষদের সামনে একে একে সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা দেখে স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে।

এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল আওয়ামী লীগের দোসররা। নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত এই সাত খুনের ঘটনা সে সময় পুরো বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে, সাত খুনের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শামীম ওসমান সবসময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন নিখোঁজ হন। তিন দিন পর, তাদের লাশ শীতলক্ষা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল র‍্যাব। এ ঘটনায় র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক, তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতাপশালী মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা কর্নেল তারেক সাঈদসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা নূর হোসেন ঘটনার পরপরই ভারতে পালিয়ে যায়। নারায়ণগঞ্জের বেশিরভাগ অবৈধ কর্মকাণ্ডের গডফাদার হিসেবে পরিচিত নূর হোসেন ছিলেন শামীম ওসমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর, ২০১৪ সালের জুন মাসে কলকাতায় গ্রেফতার করা হয় নূর হোসেনকে। তবে ভারতীয় পুলিশ এক বছর পর, ২০১৫ সালের নভেম্বরে তাকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শেষে, আদালত নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেনসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করে।

তবে কৌশলে এ মামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শামীম ওসমান, তৎকালীন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ রহমান হলের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলামকে বিচারের আওতার বাইরে রাখা হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ দীর্ঘদিন অন্ধকারেই ছিল, তবে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে সত্য উন্মোচিত হতে থাকে। মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাত খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনা। র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল হক ছাত্র-জনতার বিপ্লবে হাসিনার পতনের পর আটক হলে, তিনি সাত খুনের সাথে জড়িত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।

জিয়াউল হকের বয়ানে সরাসরি শামীম ওসমানের সংশ্লিষ্টতার কথাও উঠে আসে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনার শুরু থেকেই শেখ হাসিনা বিষয়টি জানতেন, এমনকি সাতজনকে অপহরণ ও হত্যা করে শীতলক্ষা নদীতে ফেলে দেওয়ার বিষয়ে জানতেন হাসিনা। একই সাথে, হাসিনার নির্দেশে শামীম ওসমানকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, এমন তথ্যও পাওয়া যায়।

২০১৮ সালে আসামিদের ফাঁসির আদেশ হলেও সেটি ঝুলিয়ে রাখা হয় হাসিনার নির্দেশেই। এরপর কেটে গেছে আরো প্রায় ছয়টি বছর। মামলাটি এখনো অপেক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানির জন্য। যে কারণে, এখনো সেই প্রমাণিত আসামিরাও শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেননি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৮

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৩