শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্রদল-ছাত্রলীগ একসাথেই ক্যাম্পাস ঠিকঠাক করে, শিবিরের বিরুদ্ধে সবাই

ইরফান উল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্ব প্রত্যাশী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ রনির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও কলের রেকর্ড সম্প্রতি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। অডিওতে তাকে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে মামলা ‘হোল্ড’ রাখার কথা বলে লক্ষাধিক টাকা দাবি করতে শোনা যায়। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১৯:০৮

ইরফান উল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্ব প্রত্যাশী ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ রনির বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি অডিও কলের রেকর্ড সম্প্রতি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। অডিওতে তাকে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে মামলা ‘হোল্ড’ রাখার কথা বলে লক্ষাধিক টাকা দাবি করতে শোনা যায়। হোয়াটসঅ্যাপে হওয়া কথোপকথনের সময় ভুক্তভোগী অন্য একটি মোবাইল ফোন দিয়ে পুরো বিষয়টি ভিডিও আকারে ধারণ করেন। প্রতিবেদকের হাতে আসা ঐ ভিডিওতে কথোপকথনের পাশাপাশি আবু সাঈদ রনির ব্যবহৃত নম্বরও দেখা যায়। এতে অডিওটির প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

জানা যায়, অডিওটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ের। সে সময় ভয়ে ভুক্তভোগী বিষয়টি প্রকাশ করেননি। তবে সম্প্রতি আবু সাঈদ রনির ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে অডিওটি প্রতিবেদকের হাতে আসে।

ফাঁস হওয়া অডিওতে আবু সাঈদ রনিকে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার কাছে চাঁদা দাবি করতে শোনা যায়। কথোপকথনে তিনি বলেন, একটি মামলার তালিকায় কয়েকজনের নাম এসেছে এবং টাকা দিলে বিষয়টি ‘হোল্ড’ রাখা যেতে পারে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক কারণেই ভুক্তভোগীর নাম মামলায় এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। অডিওতে রনি বলেন, “সমন্বয়ক কও, শিবির কও, আমাদের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি কও—সব জায়গায় টুকটাক যাবে।”

কথোপকথনের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী অল্প সময়ের জন্য রাজনৈতিক পদে ছিলেন উল্লেখ করলে রনি বলেন, “তুই পদ কখন পাইছিস কী না পাইছিস, সেটা তো আর ওরা (শিবির-সমন্বয়ক) দেখেনি।” এসময় তিনি ইঙ্গিত দেন, শিবির ও সমন্বয়কদের মাধ্যমে মামলা দেওয়া হলেও ছাত্রদল তা সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকার পতন না হলে কিংবা নির্বাচন হয়ে গেলে এসব কেস-কামারি হতো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।একইসঙ্গে,“ছাত্রদল-ছাত্রলীগ একসাথেই তো ক্যাম্পাসে সব ঠিকঠাক করে, শিবিরের বিরুদ্ধে সবাই”—এমন মন্তব্য করতেও শোনা যায় তাকে।

দ্বিতীয় কলের কথোপকথনে রনি বলেন, ‘কয়েকজনের নাম আপাতত হোল্ডে রাখা হয়েছে।’ এসময় ভুক্তভোগী টাকা কমানোর জন্য শিবির ও সমন্বয়কদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বললে রনি জানান, ‘বিষয়গুলো ছাত্রদলের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির মাধ্যমেই ঠিক হবে।’ এসময় ভুক্তভোগী নেতা রনির পরামর্শে নিজ ভাতিজাকে ইবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনের সাথে কথা বলতে পাঠান বলে শোনা যায়। একপর্যায়ে রনি বলেন, ‘কারও কারও কাছ থেকে ৫০ হাজার, ৩০ হাজার কিংবা ২০ হাজার টাকা দিয়েও বিষয়গুলো ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছে।’ তবে ভুক্তভোগীর আর্থিক সচ্ছলতার কারণে তার নিকট লক্ষাধিক টাকা দাবি করা হয়েছে বলে রনি জানান। এছাড়া মামলা থাকলে বিদেশ যাত্রা ও পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনেও জটিলতা হতে পারে বলে ভুক্তভোগীকে ভয় দেখাতেও শোনা যায় তাকে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় আবু সাঈদ রনি পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে চাইলে আবু সাঈদ রনি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমার হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়েছিল। সেই হ্যাক হওয়া আইডিটি কোনো একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিক্রির সাইটে ভুলভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার কারণে বিভিন্ন মানুষ আমার ওই পুরনো নম্বরে মেসেজ পাঠাতো।’ তিনি আরও জানান, ঐ নম্বরটি তিনি আগেই ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছেন এবং বর্তমানে সেই আইডি বা নম্বরের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।’

এবিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা নির্দিষ্ট কাউকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে পুরনো ঘটনাকে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কেউ ভুয়া প্রমাণ তৈরি করে বা কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ালে বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি সম্পর্কে কোনো ভুক্তভোগী প্রমাণসহ উপস্থিত হলে যথাযথ তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত সমাধান ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অডিওতে তার নাম নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো ভিত্তিহীন। ৫ আগস্টের পরে আমরা বলে দিয়েছিলাম যে, কেউ যদি প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারির নাম ভাঙিয়ে কিছু বলে তাহলে সরাসরি আমাদেরকে জানাবেন। দুই বছর পরে এসে এসব কথা তো মানুষকে ফাঁসানোর মতো কথা। যে অভিযোগ করেছে তাকে ডাকো আমরা সমাধান করি।’

এবিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।