মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন : জাতীয় নাগরিক কমিটি

সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পক্ষে নয় জাতীয় নাগরিক কমিটি। তারা বলেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন যারা তাড়াহুড়া করছে, নির্বাচনের পর তারা সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। সুতরাং আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘শহীদ আসাদ […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:৫০

সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের পক্ষে নয় জাতীয় নাগরিক কমিটি। তারা বলেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এখন যারা তাড়াহুড়া করছে, নির্বাচনের পর তারা সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। সুতরাং আগে সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘শহীদ আসাদ থেকে শহীদ আবু সাঈদ: গণ-অভ্যুত্থান থেকে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের রাজনীতির রোডম্যাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না উল্লেখ করে এই সভায় জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘সরকারকে আমরা বলব শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর হুমকিধমকিতে সংস্কারের পরিবেশ তৈরি না করে, সংস্কারের সূচনা না করে, সংস্কারের বাস্তব রূপ না করে চলে যাবেন না।

এমন যদি হয় বাংলাদেশের জনগণ, ছাত্ররা নতুন কাউকে নিয়ে আসবে, সংস্কারের পরিবেশ তৈরি করবে এবং বাস্তবে রূপ দেবে। সুতরাং সংস্কারের বাস্তব রূপায়ণ এই সরকারকে করে যেতে হবে।’

বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদী শাসন ফিরে আসতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর কোনোভাবেই প্রাসঙ্গিক হতে দেওয়া যাবে না। প্রথমে যাদের বিলোপ হতে হবে, তারা হলো ফ্যাসিবাদী পতিত আওয়ামী লীগ।

এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার রক্ষাকবচ হিসেবে আইনি ভিত্তি হিসেবে, ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখার ‘মেকানিজম’ (কৌশল) হিসেবে সব থেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে ’৭২–এর সংবিধান। এই সংবিধান দিয়ে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করা সম্ভব নয়। এ কারণে বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধান প্রয়োজন।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেবে, এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলে সভায় উল্লেখ করেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে এখন রাজনীতি করতে হলে বলতে হবে, ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবে?আজকে আমরা কেন বিশ্বাস করব যে ক্ষমতায় এলে (তারা) সংস্কার করবে। সুতরাং সংস্কার হবে, তারপর নির্বাচন হবে।’

সারোয়ার তুষার বলেন, সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ম্যান্ডেট’ আছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সংবিধান প্রণয়ন বা সংশোধন অন্তর্বর্তী সরকার করবে না। এই সরকার সংবিধান সংশোধন করবে, এটা একবারের জন্যও বলা হচ্ছে না।

সংবিধান সংস্কারের যে পরিবেশ প্রয়োজন, সেটা এই সরকার করে দেবে। সংবিধান প্রণয়ন কিংবা সংস্কার হবে গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।

কেন গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংবিধান সংস্কার করতে হবে—এর ব্যাখ্যা হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটির এই যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, ‘নির্বাচিত সংসদের সংবিধান প্রণয়ন করা বা সংস্কার করার ম্যান্ডেট থাকে না।

যাঁরা ম্যান্ডেটের প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের আমরা পাল্টা বলতে চাই, আপনার ভুল করছেন। সংসদে গিয়ে আপনার কাজ হচ্ছে আইন প্রণয়ন করা। সেটি করবেন বিদ্যমান সংবিধানের অধীনে। কিন্তু যখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় নতুন একটি সংবিধান বানাতে হবে, তখন আসলে আপনাকে যেতে হবে গণপরিষদে। আমরা সেই গণপরিষদের কথা বলছি।’

সারোয়ার তুষার বলেন, গণপরিষদ সংবিধান প্রণয়ন করার পরে তা আইনসভায় রূপ নেবে। অর্থাৎ সংসদে রূপ নেবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দুটি নির্বাচনের রোডম্যাপ (পথনকশা) থাকে। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর বড় তাড়াহুড়া, সে জন্য আমরা দুটি নির্বাচনের রোডম্যাপ বলিনি।

একটাই নির্বাচন হবে, সেটা গণপরিষদ নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের পরে ওই গণপরিষদই সংসদে, আইনসভায় রূপ নেবে। এটা পৃথিবীর বহু দেশে চর্চিত বিষয়। আমাদের দেশেও এটা করতে চাই। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত হওয়া উচিত।’

আলোচনা সভার সঞ্চালক ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য আলাউদ্দীন মোহাম্মদ। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ, সংগঠক মশিউর রহমান, ফয়সাল মাহমুদ ও প্রীতম দাশ, নির্বাহী সদস্য ইমন সৈয়দ, হাসান আলী, জয়নাল আবেদীন ও সহমুখপাত্র সালেহ উদ্দিন।

সভার অন্য বক্তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির নির্বাহী সদস্য হাসান আলী বলেন, সংস্কার ও বিচার ছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কোনো আলাপেই যাওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলের একমত হওয়া উচিত।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৫