জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেও সরকারের কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ না পেয়ে ফিরে গেছেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে জোটের পদযাত্রা জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে সচিবালয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। এরপর সচিবালয়ের প্রধান ফটকের সামনে প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নেতাকর্মীরা।
পুলিশের অনুরোধে ব্যারিকেডের সামনেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, তারা কাউকে অসম্মান করতে নয়, জনগণের দাবি তুলে ধরতেই সচিবালয়ে এসেছেন।
সরকারের দায়িত্বশীল কোনো প্রতিনিধি এসে স্মারকলিপি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার যদি জনগণের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করে, তাহলে তারা সরকারকে ধন্যবাদ জানাবেন। অন্যথায় আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, সরকারের প্রতিনিধির জন্য তারা ১০ মিনিট অপেক্ষা করবেন। একই সঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের আন্দোলনকারীদের বক্তব্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
তবে নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি, প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষার পরও সরকারের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত হননি বা স্মারকলিপি গ্রহণ করেননি। পরে দুপুর দেড়টার দিকে স্মারকলিপি জমা না দিয়েই সচিবালয় এলাকা ত্যাগ করেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এর আগে বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করে সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।