বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শাপলা থেকে জুলাই এক অবিচ্ছেদ্য ধারা: মামুনুল হক

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার স্মৃতি ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী। বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা শহীদচিত্র: অদেখা সত্যের ফ্রেম’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। সমাপনী দিনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেন, ‘শাপলা […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ২০:৫৫

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার স্মৃতি ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী। বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা শহীদচিত্র:

অদেখা সত্যের ফ্রেম’ শীর্ষক এই প্রদর্শনী সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। সমাপনী দিনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেন, ‘শাপলা থেকে জুলাই এক অবিচ্ছেদ্য ধারা।’

বুধবার (৬ মে) বিকাল পাঁচটায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

গতকাল (৫ মে ২০২৬) বিকাল তিনটায় জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত অডিটোরিয়ামে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মাওলানা মামুনুল হক।

কীভাবে হামলা চালানো হবে, কে কোথা থেকে আক্রমণ করবে, সবকিছু পূর্বপরিকল্পনা করেই তারা রণসাজে সজ্জিত ছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক মঞ্জুর আহমেদ, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তাফাজ্জুল হক মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমিদ, মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান ও শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিনসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে শাপলার শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, শাপলা চত্বরে সেদিন সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি দেখেই বোঝা যায়, এটি ছিল পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ।

তিনি অভিযোগ করেন, কীভাবে হামলা চালানো হবে, কে কোথা থেকে আক্রমণ করবে, সবকিছু পূর্বপরিকল্পনা করেই তারা রণসাজে সজ্জিত ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে দেড় লাখের বেশি বুলেট এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। কাজেই এটাকে ঠান্ডা মাথার খুন ছাড়া অন্য কিছু বলার সুযোগ নেই।’

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘২০১৩-এর শাপলা চত্বরের শাহাদাতের রক্তের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়েই চব্বিশের বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে। শাপলা থেকে জুলাই এক অবিচ্ছেদ্য ধারা, এক অবিচ্ছিন্ন ধারা। ইনশাআল্লাহ এই ধারা বন্ধ হয়নি। ফ্যাসিবাদমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

শাপলা গণহত্যাকে স্মরণে রাখার ক্ষেত্রে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ এবং এটি শাপলাকে জীবন্ত রাখার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিম, সানজিদা ইসলাম তুলি, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র সাংবাদিক শাহীন হাসনাত, ফরিদী নোমান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিম বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০১৩ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার যে গণহত্যা চালিয়েছে, সেই গণহত্যা যেন দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের মানুষ না দেখে, এটাই আমাদের কামনা। শহীদদের চেতনা ও প্রেরণা জিইয়ে রাখতে এ ধরনের আয়োজন আরও বাড়ানো দরকার।’

তিনি আরও বলেন, শাপলা গণহত্যাকে স্মরণে রাখার ক্ষেত্রে এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ এবং এটি শাপলাকে জীবন্ত রাখার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫