সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপি সরকার অতীত থেকে কোনো শিক্ষা নেয়নি: বদিউল আলম মজুমদার

ই ধরনের সিদ্ধান্তের পরিণতি শুভ হবে না। এতে নাগরিকদের অধিকার যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তেমনি ক্ষমতাসীনদের জন্যও তা দীর্ঘমেয়াদে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে

নিউজ ডেস্ক

১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৯

স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অধিকারের সুরক্ষাসংক্রান্ত আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেছেন,

বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার যেভাবে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তাতে স্পষ্টভাবে মনে হচ্ছে তারা অতীত থেকে কোনো শিক্ষা নেয়নি। তার এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক ও নীতিগত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে মানবাধিকার সুরক্ষা ও স্বাধীন বিচার বিভাগ সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে নাগরিক ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় দেশের আইন ও শাসনব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে প্রণীত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিত করার সিদ্ধান্ত বোধগম্য নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন বিএনপি এই পদক্ষেপ নিল এবং এর পেছনে কী যুক্তি রয়েছে। তার মতে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে এই ধরনের সিদ্ধান্ত উল্টো সেই স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

অতীতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে গিয়ে বিএনপির হাজার হাজার নেতা কর্মীকে জামিনের জন্য ধরনা দিতে হয়েছে। অনেকেই নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেও ন্যায়বিচার পাননি। সেই অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান বিএনপি সরকার একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, অতীতের কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকেও যদি শিক্ষা নেওয়া না হয়, তবে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি অনিবার্য হয়ে ওঠে।

স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগের বিষয়টিও তিনি কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এটি সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদসহ বিভিন্ন আইনি কাঠামোর লঙ্ঘন। তার মতে, ক্ষমতায় থাকা যে কোনো দলের উচিত এমন আইন প্রণয়ন করা, যা তারা বিরোধী দলে গেলে নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। কিন্তু বিএনপি সরকার সেই পথ অনুসরণ না করে উল্টো পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের সিদ্ধান্তের পরিণতি শুভ হবে না। এতে নাগরিকদের অধিকার যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তেমনি ক্ষমতাসীনদের জন্যও তা দীর্ঘমেয়াদে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি বলেন, আমি শঙ্কিত, কারণ এর প্রভাব শুধু বর্তমানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভবিষ্যতেও এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অনীহা এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অধিকারের সুরক্ষাসংক্রান্ত আইন বাতিলের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনেক সময় অভিশাপে পরিণত হয়—বাংলাদেশের অতীত ইতিহাসেও তার উদাহরণ রয়েছে। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন, ২০০১ সালের নির্বাচন কিংবা ২০০৮ সালের পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি ইঙ্গিত দেন, একক ক্ষমতার অপব্যবহার শেষ পর্যন্ত স্বৈরতন্ত্রের পথ খুলে দিতে পারে।

তার মতে, বর্তমান সংসদের সদস্য এবং যারা সরকার পরিচালনা করছেন, তাদের এখনই এসব সিদ্ধান্তের পরিণতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন। অন্যথায় একই ভুলের পুনরাবৃত্তি দেশের গণতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকারের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪