শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

“এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ” : জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ছিলাম, আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে আছি। আমরা জনগণের ‘সুপ্রিম উইলে’ সম্মান দেখিয়েছি, আমরা দেখিয়ে যাব। এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব, আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।” সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:২৯

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ছিলাম, আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে আছি। আমরা জনগণের ‘সুপ্রিম উইলে’ সম্মান দেখিয়েছি, আমরা দেখিয়ে যাব। এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব, আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।”

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, অতীতে এরকম রেকর্ড আছে। ‘কেয়ারটেকার’ সহজে আসে নাই। সংসদে আমাদের বিল ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম— চেয়েছিলাম সংসদে প্রতিকার, দিয়ে দিলেন জনগণের কাছে ফিরিয়ে। আমরা জনগণকে নিয়েই দাবি আদায় করব এবং দাবি আদায় হয়েছে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এবারও আমরা চেয়েছিলাম—সংসদে ইতিবাচক বিতর্কের মধ্য দিয়ে তার অবসান হোক, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হোক। কিন্তু এই সংসদ আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা বলেছি, জনগণের রায় বাস্তবায়নে সংসদ থেকে জনগণের কাছেই ফিরে যাচ্ছি। গত শনিবার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে। এটা শুরু। এর মধ্য দিয়ে যে আন্দোলন গড়ে উঠবে—এটা কোনো দল, ব্যক্তি, গোষ্ঠীর জন্য হবে না; এটা হবে ১৮ কোটি মানুষের জন্য। অন্ধ তার সাদাছড়ি বারবার হারায় না। আমরা একবার হারিয়েছি, এবার দাঁত কামড়ে ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ।’

বর্তমানে জ্বালানির জন্য তেলের পাম্পে মানুষের দীর্ঘ লাইন আর ভোগান্তি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যখন জ্বালানি সংকট আর মানুষের ভোগান্তি নিয়ে সংসদে কথা তুলি, আমাদের নোটিশটা আলোচনায় আসতেই দেওয়া হয় না। সত্য জনগণের কাছে প্রকাশ পেয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, আগের চেয়ে চাহিদা বেড়ে গেছে। তাহলে তো তাদের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, এটা শুধরে ওঠে না কেন?

জ্বালানি সংকটের কারণে এই মৌসুমে কৃষকের খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং খাদ্য সংকট বাড়বে বলে আশঙ্কার কথা জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য প্রথমে শিশুদের ওপর হাত পড়েছে মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তাদের স্কুল বন্ধ করে ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। করোনার সময় দারুণ ব্যাহত হয়েছে। অনেক শিশুসন্তান ঝরে পড়েছে। অনেকে বিপথে চলে গেছে। আবার যদি এই সরকার সেই পথে হাঁটে, তাহলে জাতিকে অন্ধত্ব ও মূর্খতার চাদরে ঢেকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। আমরা এটা রুখে দেব, এটাও মানব না। আমাদের সন্তানদের মেধা হত্যার সুযোগ কাউকে দেব না। আমাদের স্পষ্ট বার্তা হলো—সব ব্যবস্থাপনা নেওয়ার পর সর্বশেষ হাত দিতে হবে শিক্ষার ওপর, এর আগে নয়। লোড ম্যানেজমেন্ট আর ডিমান্ড ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা দিয়ে নয়, এটা সবার শেষে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, আমরা যে ৭৭ জন সংসদে গিয়েছি, আমরা ১৮ কোটি মানুষকে পাহারা দেব আর সংসদে যাতে জাতির কপাল নিয়ে কেউ ডাকাতি বা ছিনিমিনি করতে না পারে; তারও পাহারা দেব ইনশাআল্লাহ। আমরা কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না, ছাড়ও দেব না।’

এই লড়াইয়ে সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে এবং ফ্যাসিবাদ হেরে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন ফ্যাসিবাদের যাত্রা নতুনভাবে শুরু হয়েছে। আমরা সেই যাত্রা থামিয়ে দেব ইনশাআল্লাহ।’

জাগপার মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অব.) হাসিনুর রহমান প্রমুখ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১