বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই। আপনারা বলছেন সংবিধানে গণভোট নেই। আমাদের প্রশ্ন এই দলটি যার হাতে জন্ম তার হাতেই বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তখন কি সংবিধানে গণভোট নিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে। তখন যদি সেটি জায়েজ হয়ে থাকে তবে […]

আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই : ডা. শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০০:২১

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই। আপনারা বলছেন সংবিধানে গণভোট নেই। আমাদের প্রশ্ন এই দলটি যার হাতে জন্ম তার হাতেই বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তখন কি সংবিধানে গণভোট নিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে। তখন যদি সেটি জায়েজ হয়ে থাকে তবে এখন নাজায়েজ হয় কিভাবে। জনগণের প্রয়োজনে গণভোট হচ্ছে কনসটিটিউশনের ওপরে সুপ্রিম অথোরিটি রায়। জনগণের সুপ্রিম অভিপ্রায় হচ্ছে চূড়ান্ত সংবিধান।
তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রকল্প এলাকায় নাসিফ কনভেনশন হলে জামায়াত ইসলামের থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার আমীর ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মো. দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মিলন এমপি, ঢাকা জেলা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির প্রিন্সিপাল শাহিনুর ইসলাম প্রমুখ।
ডা. শফিক আরো বলেন, তিনটা গণভোটের ফল বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হয়েছে। চতুর্থ গণভোটে যেখানে বিভিন্ন দল ছিল মত ছিল সবাই যখন এক শুধু তাই নয় বিএনপির প্রতিনিধিরা বলেছেন সংবিধানের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো আইনগতভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে গণভোটের প্রস্তাব দিচ্ছি। প্রস্তাব দিলেন গণভোটের নির্বাচনের পরে এসে আপনাদের মতামত রাতারাতি বদলে গেল। আপনারাই বলেছিলেন সবাই মিলে বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ মিলে ঝিলে বাংলাদেশ। কিন্তু কোথায় আজ সেই বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই সবাই মিলে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারটি আউট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ও তার আগে এরকম প্রশাসকের ছড়াছড়ি ছিলনা। এখন সব জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদে পর্যায়ক্রমে আরো নিচের কোনো পদে প্রশাসক বসাবে কিনা আমরা তা জানি না। এসব কি সবাই মিলে বাংলাদেশ। এতগুলো প্রশাসক নিয়োগ করলেন এমনিতেই তো এগুলো হওয়া উচিত না। এমনিতেই সাংবিধানিকভাবে এগুলো বেআইনি। সংবিধানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এসবের দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু আপনারা সব জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে দিচ্ছেন। সব প্রশাসক আপনাদের দলীয় লোক। এদের মধ্যে কেউ কেউ সংসদের নির্বাচন করে সফল হতে পারেনি। এখন তাদেরকে বড় বড় জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন।
জামায়াতের আমীর শফিক আরো বলেন, আপনারা বলেন সর্বপ্রথম ক্ষমতার মালিক জনগণ। দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু দেশের জনগণকে আপনারা এখন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এই জনগণই তো ১২ই ফেব্রুয়ারি দুইটা ভোট দিয়েছিলেন। একটি জাতীয় সংসদে আরেকটি গণভোটে হ্যাঁ। আপনারা ভিতরে ভিতরে না ছিলেন কিন্তু প্রকাশ্যে আপনারা হ্যাঁ ভোটের কথা বলেছেন। আপনারা এখন বলছেন জনগণ আপনাদের ৫১% ভোট দিয়েছেন। কিন্তু জনগণ ৭০% হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। তাহলে ৫১ বড় না ৭০ বড়। আপনারা ৭০% জনগণের মতামত উপেক্ষা করছেন। এর নাম কি গণতন্ত্র। দেশে আজ ফ্যাসিবাদ নাই সামরিক শাসনও নাই কিন্তু দেশের মানুষ এখন চরম আতঙ্কে আছে।
সংসদে তারা বলছে দেশ আজ তেলের ওপর ভাসছে। কিন্তু বাস্তবে তেলের জন্য পেট্রোল পাম্প গুলোতে হাহাকার চলছে। পেট্রোল পাম্প গুলোতে লেখা আছে তেল আছে। কিন্তু সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের মালিকগণ তেল পাচ্ছে না। তাহলে জাতির সঙ্গে তেল নিয়ে আপনাদের এই তামাশা কেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪২
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪২

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪২