শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ […]

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ), মো. মাহবুব রশিদ (তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা, রংপুর), মো. আব্দুর রহমান ও মো. মাসুম বিল্লাহ (বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা, পিরোজপুর), মো. হারুনুর রশিদ (নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িগ্রাম), করিমা খাতুন (মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা, বাগেরহাট), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা), শহীদুল হক (পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুমিল্লা), মো. রোকনুজ্জামান (বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর), জালাল উদ্দিন (সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত (র.) দাখিল মাদ্রাসা, ঢাকা), হাসিনা (বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, গাজীপুর), মো. মাহফুজুর রহমান (একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর) এবং নাসরিন সুলতানা (শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, নরসিংদী)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন। সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ […]

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫২

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোলাম পরওয়ার। ভোলা সদর আসনের এমপি পার্থকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ভোলার মানুষের কাছে আসেন না, উলটো মানুষকে কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হয় তার কাছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংসদে ভোলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো দাবি জানান না, অথচ সরকারকে খুশি করতে সুযোগ পেলেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে একটি মিথ্যা কথা বলে গেলেন। এতো বড় মিথ্যা কথা ভোলার মানুষ আর শোনেনি বলে আমার মনে হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বরিশালের জনসভায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতুর কথা বলেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনসহ ভোলার নানা সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন। যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তো সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, গোলাম পরওয়ার কিভাবে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন অসত্য কথা প্রচার করেছেন। অথচ তার নিজের এলাকাতেই নিজের ঠাঁই নেই। নির্বাচন হয়েছে সবেমাত্র কয়েকমাস হল, অথচ গোলাম পরওয়ার আলাদিনের চেরাগের মতো সব দেখতে চান। বাংলাদেশের মানুষ যদি তাদের সব কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতো। আমি মনে করি, জামায়াতের ভাওতাবাজির কথা এদেশের মানুষ কোনোদিন গ্রহণ করে নাই। ভোলার উন্নয়নের জন্য পার্থর বিকল্প আর কেউ নেই।  এছাড়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান ও জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিন বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. নুরনবী। ভোলা সদর উপজেলার বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো.বুলবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজেপি ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ […]

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ জুন ২০২৬, ১৯:৩৭

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে আশরাফুল ইসলামকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাঘমারা এলাকার জুড়ি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলে প্রাণ হারান। নিহতরা হলেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের ছাবির মিয়া (৪০), হামিদ (৪৫) ও কাবিল (৩৫)। হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরার সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের পর কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে তাকে মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।