শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

শেখ হাসিনার রায় ঘিরে সতর্ক অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী 

রাজধানীর ট্রাইব্যুনাল এলাকা, আদালতপাড়া, শহরের প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে চেকপোস্ট, বাড়তি টহল এবং যানবাহন তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। নিউ ইস্কাটন, আগারগাঁও, বিমানবন্দর, হাতিরঝিল, মিরপুর ও হাজারীবাগসহ বেশ কিছু এলাকায় সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ নজরদারি চলছে। ডিএমপি পুরো শহরে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে।

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ০২:১৭

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে নাশকতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রায় ঘোষণার আগের দিন থেকেই চার জেলায় বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে মাঠে রয়েছে। সম্প্রতি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যরা ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহনে আগুন, সরকারি স্থাপনায় হামলা ও বিভিন্ন নাশকতা চালায়। রায়কে কেন্দ্র করে তাদের সম্ভাব্য সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে বাসে আগুন, ককটেল বা বোমা মেরে নগরবাসীর জীবনহানির চেষ্টা করলে নাশকতাকারীদের গুলির নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সেনা মোতায়েনের জন্য সেনাসদরে চিঠি পাঠিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীর ট্রাইব্যুনাল এলাকা, আদালতপাড়া, শহরের প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে চেকপোস্ট, বাড়তি টহল এবং যানবাহন তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। নিউ ইস্কাটন, আগারগাঁও, বিমানবন্দর, হাতিরঝিল, মিরপুর ও হাজারীবাগসহ বেশ কিছু এলাকায় সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ নজরদারি চলছে। ডিএমপি পুরো শহরে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করেছে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন,

“কেউ বাসে আগুন দিলে, ককটেল মেরে জীবনহানির চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী তাকে গুলির অধিকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আছে। পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলে বা ককটেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ তো বসে থাকবে না।”

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ, র‍্যাব ও সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিজিবি অতিরিক্ত টহল দিচ্ছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই এ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সেনা মোতায়েনের চিঠি:
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ট্রাইব্যুনাল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতের অনুরোধ করেছে। রায় ঘোষণার সংবেদনশীলতা বিবেচনায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পূর্বেও রায় ঘোষণার তারিখ ঘোষণা হলে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

মধ্যাঞ্চলের তিন জেলা ঝুঁকিতে:
নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা, সেতু, যোগাযোগব্যবস্থা ও প্রশাসনিক অফিস লক্ষ্য করে নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। রায় ঘোষণার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে সড়ক–মহাসড়ক অবরোধ ও বড় ধরনের শোডাউনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিদেশি মিডিয়াকে লক্ষ্য করে সহিংসতার ভিডিও ছড়ানোরও পরিকল্পনা আছে বলে গোয়েন্দাদের ধারনা। তারা আশঙ্কা করছে—এ সুযোগে প্রতিরোধ অক্ষকে আঘাত করতে ভারতীয় স্টাবলিশমেন্ট এসব ভিডিও ইউরোপ–আমেরিকায় ব্যবহার করতে পারে। এছাড়া অনলাইনে নাশকতামূলক কর্মসূচির প্রচারও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পদক্ষেপ:
পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে। পলাতক ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আর্থিক লেনদেন এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রায় যেভাবেই আসুক, তা কার্যকর হবে। নির্বাচনকে সহিংসতামুক্ত রাখতে সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতিতে রয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন,

“আগামীকাল যেটাই রায় হোক, তা কার্যকর হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে এবং সরকার দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।”

নিরাপত্তা সংস্থার সুপারিশ:
রায় ঘোষণার পর তিনদিনকে

“উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সময়” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগাম তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সর্বোচ্চ স্তরে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতিকে ঘিরে কোনো অভ্যন্তরীণ অসন্তুষ্ট গোষ্ঠী সক্রিয় হলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে বলেও নিরাপত্তা সংস্থার ধারণা।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এএইচএম শাহাদাত হোসেন বলেন,

“নাশকতা বা সংঘর্ষের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।”

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।