শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

সৎ মা ইস্যুতে ফেঁসে যাচ্ছেন অভিনেত্রী শাওন

অভিনেত্রী শাওনের সৎ-মা নিশি ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, বলপ্রয়োগ করে টাকা আদায় ও ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে করা মামলায় অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। এই মামলায় আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে ১৯ মার্চ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। অব্যাহতি চাওয়া আসামিদের মধ্যে নিশি ইসলাম ছাড়াও তার সাবেক স্বামী আল মাহফুজ খান রয়েছেন। পাশাপাশি আসামিদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে […]

সৎ মা ইস্যুতে ফেঁসে যাচ্ছেন অভিনেত্রী শাওন

সৎ মা ইস্যুতে ফেঁসে যাচ্ছেন অভিনেত্রী শাওন

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুন ২০২৫, ১১:১৩

অভিনেত্রী শাওনের সৎ-মা নিশি ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, বলপ্রয়োগ করে টাকা আদায় ও ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে করা মামলায় অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। এই মামলায় আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে ১৯ মার্চ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। অব্যাহতি চাওয়া আসামিদের মধ্যে নিশি ইসলাম ছাড়াও তার সাবেক স্বামী আল মাহফুজ খান রয়েছেন। পাশাপাশি আসামিদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা করায় মামলার বাদী অভিনেত্রী শাওনের বোন মাহিন আফরোজ শিঞ্জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেন বলেন, মামলাটি সার্বিক তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় দেখা যায় যে, এ মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোছা. নিশি ইসলাম এবং আল মাহফুজ খানের বিরুদ্ধে বাদীর আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

তদন্তে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে, আমি বিবাদীদের মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানাই। সেই সঙ্গে বাদিনী মাহিন আফরোজ শিঞ্জন হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা করায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

আদালতের বাড্ডা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই জারি হোসেন বলেন, এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। বাদীর প্রতি নোটিশ ইস্যু করেছেন আদালত। ১০ জুলাই মামলার পরবর্তী তারিখ ঠিক করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের বোন মাহিন আফরোজ শিঞ্জন বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় এ মামলাটি করেন। মামলায় নিশি ইসলাম ও আল মাহফুজ খানকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে মাহিন আফরোজ শিঞ্জন বলেন, তার বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী একজন সুপরিচিত ব্যবসায়ী। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নিশি ইসলাম (২৯) ও আল মাহফুজ খান (২৪) নামের দুই ব্যক্তি তার বাবার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ শুরু করেন। তারা নিজেদের ভাই-বোন পরিচয় দিয়ে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে এবং বিভিন্ন সময় দেখা করার নাম করে তার বাবাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান।

পরে ২১ ফেব্রুয়ারি দুই ব্যক্তি উত্তর বাড্ডার পদ্মা গার্ডেন এলাকার একটি বাসায় তার বাবাকে ডেকে নেন। ওই সময় নিশি ইসলাম তার বাবাকে জোর করে বিয়েতে রাজি করান এবং হুমকি দেন, বিয়ে না করলে সমাজে অপমানজনক মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেবে। ভয়ে এবং সামাজিক সম্মানের কথা ভেবে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হন। সেদিনই একটি রেজিস্ট্রার বইয়ের মতো কাগজে জোর করে স্বাক্ষরও করানো হয়।

পরবর্তীতে বাদী খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, নিশি ইসলাম ও আল মাহাফুজ আসলে স্বামী-স্ত্রী এবং একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা বিভিন্ন সময় সমাজের সম্মানিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের টার্গেট করে মিথ্যা পরিচয়ে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলে এবং পরে বিয়ে ও মান-সম্মানের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে। এ মামলায় পুলিশ নিশি ইসলামকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে।

চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিশি ইসলাম ও আল মাহফুজ খান পূর্বে সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী থাকলেও তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় ২৩ সালের ৫ মে তাদের স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়। অপরদিকে ভিকটিম ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী স্বেচ্ছায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করলে ম্যারেজ মিডিয়ার মাধ্যমে নিশি ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাধে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হতে থাকে। তারা উভয়ের সম্মতিক্রমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পরস্পর নিকাহনামায় স্বাক্ষর করেন এবং উচ্চ আওয়াজে ‘আলহামদুলিল্লাহ কবুল’ বলে বিবাহের কাজ সম্পন্ন করেন।

এছাড়া মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী বিকাশ স্টেটমেন্ট পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, বাদিনীর অভিযোগের তথ্যানুযায়ী বিবাদীরা ইঞ্জি. মোহাম্মদ আলীকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে চাঁদা দাবি ও ১ লাখ টাকা চাঁদা গ্রহণের বিষয়টির সত্যতাও প্রমাণিত হয়নি।

এ মামলার সাক্ষী মান্নাক আফরোজ সেঁজুতি বাদীর বোন এবং সাক্ষী হাসানুজ্জামান বাদীর বন্ধু হওয়ায় তারা বাদীর কাছ থেকে শোনা তথ্যের ভিত্তিতে এজাহারের পক্ষে জবানবন্দি প্রদান করলেও, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য ও প্রাপ্ত ডকুমেন্ট বিশ্লেষণে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয়েছে বলেও চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন বলেন, এ বাদীর অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছি।

এ বিষয়ে মামলার বাদী অভিনেত্রী শাওনের বোন মাহিন আফরোজ শিঞ্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা একটা কোর্ট প্রসিডিউর। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করতে চাচ্ছি না। মামলায় চার্জশিট দিয়েছে নাকি ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে এটা আদালত আমাদের বলবে, আদালতের সঙ্গে এটা আমাদের বিষয়। সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

এদিকে এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৩ মার্চ ভুক্তভোগী নিশি ইসলাম হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে শাওনসহ ১২ জনকে আসামি করে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ২২ এপ্রিল উভয়পক্ষকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিলেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন-মেহের আফরোজ শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মো. আলী, মেহের আফরোজ শাওন, তার বোন মাহিন আফরোজ শিঞ্জন ও সেঁজুতি, শিঞ্জনের স্বামী সাব্বির, এডিসি নাজমুল, সুব্রত দাস, মাইনুল হোসেন, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপ-পরিদর্শক শাহ আলম ও মো. আলীর ভাগনে মোখলেছুর রহমান মিল্টন।

পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও উপ-পরিদর্শক শাহ আলম ২২ এপ্রিল আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন এবং বাকি দশ আসামি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

পরবর্তীতে বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলার আসামি অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ ১২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। ১ জুলাই এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য রয়েছে।

মামলার বাদী নিশি ইসলাম বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে, জেল খাটানো হয়েছে। আমি তাদের সবার শাস্তি দাবি করি।

বিষয়ঃ

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।