বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

অভিযানের খবরে আত্মগোপনে মোহাম্মদপুরের ছিনতাই চক্রের মূলহোতারা

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠেছিল অপরাধীরা। ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে অশান্ত মোহাম্মদপুরে সাড়াশি অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত তিন দিনে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শতাধিকের বেশি অপরাধী গ্রেফতার হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অভিযানের খবরে মোহাম্মদপুর ছেড়ে আত্মগোপনে আছেন ছিনতাই চক্রের মূলহোতারা। তবে এখনো ছিনতকারীদের আতঙ্কে স্থানীয়রা। স্থানীয়দের সঙ্গে […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:১৫

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠেছিল অপরাধীরা। ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে অশান্ত মোহাম্মদপুরে সাড়াশি অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত তিন দিনে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শতাধিকের বেশি অপরাধী গ্রেফতার হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অভিযানের খবরে মোহাম্মদপুর ছেড়ে আত্মগোপনে আছেন ছিনতাই চক্রের মূলহোতারা। তবে এখনো ছিনতকারীদের আতঙ্কে স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মোহাম্মদপুরে দিনে-দুপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাতের আঁধারে কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের অস্ত্রের মহড়ায় ভীতসন্ত্রস্ত বাসিন্দারা। প্রতিদিনই অলিতে গলিতে অস্ত্রের মুখে সাধারণ মানুষের মূল্যবান সামগ্রী ও অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায় অপরাধীরা।
গত সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত মোহাম্মদপুরে প্রতিপক্ষের হামলা ও গুলিতে শিশুসহ ১০ জনের প্রাণ গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মোহাম্মদপুরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চলবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদকের স্পট বন্ধ না হয় ততক্ষণ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের খবরে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে মোহাম্মদপুরের ছিনতাই চক্রের মূল হোতারা। যাদের মধ্যে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তা, চাঁদ উদ্যান, লাউতলা ও বসিলা এলাকার ছিনতাই চক্রের মূলহোতা রাসেল ওরফে ভাত রাসেল। নবদয়, ঢাকা উদ্যান, নবীনগর, আদাবর এলাকার আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত কব্জিকাটা গ্রুপের মূলহোতা আনোয়ার, ইউনুস, রাফাত, আহমেদ, তুষার,বেল্লাল ওরফে ভাইগ্না বেল্লাল, নাঈম ওরফে ভাইগ্না নাঈম, রাফি, মোহন।
গত ১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে ঘোষণা দিয়ে বেল্লাল নামের এত যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে কব্জিকাটা গ্রুপের সদস্যরা। এই চক্রটি মোহাম্মদপুরজুড়ে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখল ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে চলছে। জানা গেছে, কব্জিকাটা গ্রুপ এক সময় শীর্ষ সন্ত্রাসী বাদলের ছত্রছায়ায় থাকলেও বর্তমানে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার আর্শিবাদে টিকে আছে। তাদের রক্ষায় ইতোমধ্যে নিজেই মাঠে নেমেছেন বিএনপির এই নেতা। সামনে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী ওই বিএনপি নেতার হয়ে কব্জিকাটা গ্রুপের আনোয়ার তার হয়ে প্রতিপক্ষ মোকাবিলায় কাজ করবে। তাই বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে আনোয়ার ও তার চক্রের সদস্যদের রক্ষায় নিজের বাড়িতে স্থান দিয়েছেন।
তবে মোহাম্মদীয়া হাউজিং এলাকায় এখনো সক্রিয় স্থানীয় অসামাজিক কার্যক্রমের মূলহোতা শাহাবুদ্দিন শাবু ও তার দুই ছেলে সজিব-সোহান। তারা প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে ছিনতাই করে আসছে।
মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর থেকে মোহাম্মদপুরে শুরু হওয়া যৌথ বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত শতাধিক ছিনতাইকারী গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকের স্পট দখল নিয়ে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে চলা গোলাগুলির ঘটনায় দুটি বিদেশি পিস্তল ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী ইফতেখান হাসান বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সব অপরাধী গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।
গত চার দিনে শতাধিক ছিনতাইকারী গ্রেফতার করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রেফতার ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুর থানায় চলতি মাসে ৬৩টি ছিনতাই মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।